Bartaman Logo
২০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

গিলের হাত ধরে ডুরান্ড ফাইনালে ইস্ট বেঙ্গল

আর কবে বড়ো হবেন ডেভিড? ডুরান্ড কাপের সেমি-ফাইনালে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ এই মিজো ফুটবলার।

গিলের হাত ধরে ডুরান্ড ফাইনালে ইস্ট বেঙ্গল
  • ২০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

স্পোর্টিং দিল্লি-০         :               ইস্ট বেঙ্গল-০
(টাই-ব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জয়ী ইস্ট বেঙ্গল)

Advertisement

অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: আর কবে বড়ো হবেন ডেভিড? ডুরান্ড কাপের সেমি-ফাইনালে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ এই মিজো ফুটবলার। অজস্র সুযোগ নষ্ট আর পোস্ট ভাগ্য সঙ্গ না থাকায় এফসি দিল্লির বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য শেষ হল ইস্ট বেঙ্গলের লড়াই। তবে তিনকাঠির নীচে প্রভসুখন গিলের বিশ্বস্ত দস্তানায় ভর করে টাই-ব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জিতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল হাবাস ব্রিগেড। দল জিতলেও ছেলেদের এই পারফরম্যান্স অবশ্যই খেতাবি লড়াইয়ের আগে উদ্বেগে রাখবে লাল-হলুদ স্প্যানিশ কোচকে।
চোটের কারণে দিল্লির বিরুদ্ধে দলে ছিলেন না বিষ্ণু। কেরালাইট এই উইঙ্গারের অনুপস্থিতিতে উইংয়ে এডমুন্ড ও বিপিনকে দলে রাখেন হাবাস। তবে গোল করার লোকের অভাবে বারবার ভুগল ইস্ট বেঙ্গল। তৃতীয় মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে করা জেসিনের মাইনাসে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ বিপিন। ১৫ মিনিটে ক্রসবার বাঁচায় দিল্লিকে। এক্ষেত্রে রশিদের ফ্রি-কিক পোস্টে প্রতিহত হয়। জেসিনের শট পোস্টে ধাক্কা খায়। তবে ম্যাচের গতির বিরুদ্ধে সুবর্ণ সুযোগ আসে দিল্লির দলটির সামনে। বক্সের মধ্যে ব্রাজিলিয়ান রডরিগোকে ফাউল করেন সন্দীপ। পেনাল্টি পায় দিল্লি। কিন্তু রডরিগোর অতি দুর্বল শট ডান দিকে শরীর ছুড়ে রুখতে অসুবিধা হয়নি প্রভসুখন গিলের। বাকি সময় স্পোর্টিং দিল্লিকে ঘরোয়া লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনের দলের মতো দেখাল। 
বিরতির পরও ইস্ট বেঙ্গলের সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনী অব্যাহত থাকে। ৫৭ মিনিটে রামিরেজের ফ্রি-কিক দিল্লি গোলরক্ষকের হাতে লেগে সামনে পড়ে। ফিরতি বল থেকে গোল করতে ব্যর্থ লালচুংনুঙ্গা। ডাগ-আউটে হতাশা চেপে রাখেননি কোচ হাবাস। আসলে তিনিও জানেন, দলে গোলগেটারের অভাব রয়েছে। জেসিন এখনও পরিণত নন। আর অস্কার জমানায় বেঞ্চে বসে জং ধরেছে ডেভিডের। ৭২ মিনিটে তাই  ডিফেন্ডারকে রং-ফুটে ফেলেও গোলে শট নেওয়ার আত্মবিশ্বাস জোটাতে পারেননি মিজো স্ট্রাইকার। পরের মুহূর্তে ইকোনমিডিসের মাইনাস গোলরক্ষককে একা পেয়েও গায়ে মারলেন ডেভিড। তার আগে রশিদের শট ফের পোস্টে প্রতিহত হয়। ডাগ-আউটে বিরক্তির পারদ চড়িয়ে ম্যাচের শেষ পর্বে হলুদ কার্ড দেখেন কোচ হাবাস। নির্ধারিত সময় দুই দলই গোল করতে ব্যর্থ। ফলে খেলা গড়ায় টাই-ব্রেকারে। এই পর্বে ত্রাতার ভূমিকায় প্রভসুখন। পেনার শট রুখে ম্যাচের নায়ক তিনি। লক্ষ্যভেদে ভুল করেননি আনোয়ার, দানু, লালচুংনুঙ্গা, ইকোনমিডিস ও রশিদ। গোলপোস্টের নীচে দাঁড়িয়ে দু’বার দলের পতন রোধ করলেন প্রভসুখন। 
ইস্ট বেঙ্গল: প্রভসুখন, জয়, সন্দীপ, আনোয়ার, হার্দিক (লালচুংনুঙ্গা), জিকসন,  বিপিন (দানু), রশিদ, রামিরেজ (আসিফ), এডমুন্ড (ইকোনমিডিস) ও জেসিন (ডেভিড)।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ