নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে এএফসি’র স্লট পেয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। ১২ আগস্ট যুবভারতীতে কুয়েতের চ্যাম্পিয়ন দলের সামনাসামনি হবে মশাল বাহিনী। ঘরোয়া ফুটবলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও ভালো ফলের আশায় লাল-হলুদ কর্তারা। কিন্তু দলগঠন যে এখনও থমকে! এমনকী, কোচ অস্কার ব্রুজোঁর ভবিষ্যৎও স্পষ্ট নয়। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার ফের ইনভেস্টরদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। বাইপাসের ধারে ইমামি অফিসে বিকেল পাঁচটায় মিটিং। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে সমর্থকরা। লগ্নিকারী সংস্থার ভূমিকা থেকে ফুটবল বাজেট— সপ্তাহের প্রথম দিনেই ধোঁয়াশা কাটার সম্ভাবনা। তবে প্রাক্তনদের অভিমত, এবার দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। লগ্নিকারী সংস্থার তা গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত।
৩১ মে সরকারিভাবে ফুটবল মরশুম শেষ। কোচ অস্কার ব্রুজোঁ তো বটেই, ছয় বিদেশির সঙ্গেও চুক্তি শেষ ইস্ট বেঙ্গলের। মিগুয়েল, সিবলেদের ধরে রাখা যাবে তো? রীতিমতো উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা। ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে লালচুংনুঙ্গা, রাকিপ, প্রভসুখন গিলের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ফুরোচ্ছে। মোদ্দা কথা, চ্যাম্পিয়ন স্কোয়াড অটুট রাখতে বিশাল অর্থ প্রয়োজন। এএফসি’র জন্য আরও ভালো মানের বিদেশি ফুটবলারও দরকার। কিন্তু ইনভেস্টর কর্তারা কতটা উৎসাহ দেখাবেন? এখানেও ঢাক ঢাক গুড় গুড় চলছে। আসলে শুধু ইস্ট বেঙ্গল নয়, একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি দলও হাত গুটিয়ে বসে। তারা ফেডারেশনের দিকে তাকিয়ে। সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা এখনো ক্যালেন্ডার প্রকাশে ব্যর্থ। তাদের হাতে কোনো কমার্শিয়াল পার্টনারও নেই। নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছাড়া কেউই ফুটবলে ইনভেস্ট করবেন না। শোনা যাচ্ছে, দ্রুত কার্যকরী সমিতির সভা ডেকে কমার্শিয়াল পার্টনারের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে চায় ফেডারেশন। কিন্তু না আঁচালে বিশ্বাস নেই। আপাতত তাই গোটা ফুটবল সিস্টেমই থমকে।