Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ডার্বির আগে পাঠচক্রের কাছে হারল ইস্ট বেঙ্গল

ইস্ট বেঙ্গলকে হারের ‘পাঠ’ শেখাল পাঠচক্র। মঙ্গলবার বারাকপুরের বিভূতিভূষণ স্টেডিয়ামে মুখ থুবড়ে পড়ল লাল-হলুদ ব্রিগেড

ডার্বির আগে পাঠচক্রের কাছে হারল ইস্ট বেঙ্গল
  • ১৬ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌগত গঙ্গোপাধ্যায়, বারাকপুর: ইস্ট বেঙ্গলকে হারের ‘পাঠ’ শেখাল পাঠচক্র। মঙ্গলবার বারাকপুরের বিভূতিভূষণ স্টেডিয়ামে মুখ থুবড়ে পড়ল লাল-হলুদ ব্রিগেড। অঘটন বলা অন্যায়, বরং সব বিভাগেই বিনো-ব্রিগেডকে টেক্কা দিয়েছে পার্থ সেনের দল। টানা দুই ম্যাচে ড্র্রয়ের পর মঙ্গলবার ০-১ গোলে হার। ডার্বির আগে বেহাল ইস্ট বেঙ্গল। ৪ ম্যাচে পয়েন্ট মাত্র ৫। সুপার সিক্স রীতিমতো অনিশ্চিত। অন্যদিকে, ৪টি ম্যাচেই জিতে ১২ পয়েন্ট পাঠচক্রের। ম্যাচের পর বিনোর মন্তব্য, ‘আমি হতাশ।  কিন্তু আমার হাতে ভালো মানের বাঙালি প্লেয়ার নেই। ফিটনেসও তলানিতে।’ ঘুরিয়ে ম্যানেজমেন্টের সদিচ্ছা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন কেরালাইট কোচ। সূত্রের খবর, একজন স্ট্রাইকার সই করাতে অনুরোধ করেছেন তিনি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। যুব দলের জন্য  টাকা খরচে অনীহা। ‘বেওসা’ এবং ফুটবল দল চালানো এক নয়। সেটা আর কবে বুঝবেন কর্তারা? কেউ কেউ বলছেন, জঘন্য পারফরম্যান্স হবে জেনেই ঘরের মাঠে ম্যাচ আয়োজনে তেমন সদিচ্ছা দেখান না কর্তারা। 
প্রায় দেড় বছর পর ঘরোয়া লিগে হারল ইস্ট বেঙ্গল। গতবারের ঝাঁঝ, স্পিড, স্ট্যামিনা— সব ভ্যানিশ। ছন্নছাড়া ফুটবলে মাথাধরা কমাতে স্যারিডন দরকার। চাকু, সায়ন, নাসিব, জোসেফরা  ফুটবল ভুলে ফ্যাশন র‌্যাম্পে হাঁটছেন। কোচও তথৈবচ। পাঠচক্রের বিরুদ্ধে কোনও স্ট্রাইকার ছাড়াই দল নামান বিনো।  আপফ্রন্টে শুধুমাত্র সুমন দে। তিনি আদতে উইং ব্যাক! ফুটবল না ছেলেখেলা? মাঝমাঠে খেলা তৈরির লোক নেই। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তন্ময়ের শট ঠেকিয়ে দেন পাঠচক্র গোলরক্ষক অর্ণব। মাতৃশোক ভোলাতে ফুটবলই তাঁর ভরসা। তাগিদ, জেদ কাকে বলে তা তাঁর থেকে শেখা উচিত বিনোর ছেলেদের। 
ইস্ট বেঙ্গলের এই দলে একমাত্র স্ট্রাইকার জেসিন টিকে। পুরো ফিট নন। তবু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তাঁকে মাঠে নামান বিনো। কিন্তু লাভ হয়নি। পাঠচক্রের রক্ষণ লাল-হলুদ জার্সিধারীদের দাঁত ফোটাতে দেয়নি। বরং লক্ষ্যভেদের বদলে গোল হজম করতে হয় ইস্ট বেঙ্গলকে। ৮৮ মিনিটে অনুব্রতর লাখ টাকার থ্রু পাস ধরে জাল কাঁপালেন ডেভিড মোতলা (১-০)। লাল-হলুদ ডিফেন্স তখন দর্শকের ভূমিকায়। ম্যাচের শেষে পাঠচক্রের একঝাঁক খুদে সমর্থক উচ্ছ্বাস প্রকাশে ব্যস্ত ছিল। ঠিক তখনই তাদের দিকে তেড়ে যান ইস্ট বেঙ্গল অনুরাগীরা। যা মোটেই কাম্য নয়। এদিকে, রেকর্ড ট্রান্সফার ফি দিয়ে গোয়া থেকে জয় গুপ্তাকে সই করাল ইস্ট বেঙ্গল।
ইস্ট বেঙ্গল: আদিত্য, জোসেপ, প্রভাত, চাকু, বিক্রম (জেসিন), তন্ময়, নাসিব, গুইতে (অনন্থু), রোশাল (আমন), সায়ন (সঞ্জীব) ও সুমন।

Advertisement

পাঠচক্র-১          :       ইস্ট বেঙ্গল-০
(ডেভিড মোতলা)

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ