Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

লিগে কষ্টার্জিত জয় পেল ইস্ট বেঙ্গল

ম্যাচ শেষ হতেই রেফারি শুভঙ্কর দাসের উপর চড়াও হলেন কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের কোচ ও ফুটবলাররা। দ্বিতীয়ার্ধের সংযোজিত সময়ে নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হওয়ার জন্যই এই ক্ষোভ।

লিগে কষ্টার্জিত জয় পেল ইস্ট বেঙ্গল
  • ৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, নৈহাটি:

Advertisement

ইস্ট বেঙ্গল-১                  :  কালীঘাট এসএলএ- ০
(গুইতে)

ম্যাচ শেষ হতেই রেফারি শুভঙ্কর দাসের উপর চড়াও হলেন কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের কোচ ও ফুটবলাররা। দ্বিতীয়ার্ধের সংযোজিত সময়ে নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হওয়ার জন্যই এই ক্ষোভ। গ্যালারিতে তখন কালীঘাট এসএল’এর বাকি ফুটবলারদের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের। উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিল পুলিস। লাল-হলুদ কোচ বিনো জর্জের কিন্তু সেদিকে খেয়াল ছিল না। কষ্টার্জিত জয়ের সুবাদে শুক্রবার নৈহাটি স্টেডিয়াম থেকে পিঠ বাঁচিয়ে ফিরলেন তিনি। ১-০ গোলে জয়ের সুবাদে মশাল বাহিনীর পয়েন্ট ৮ ম্যাচে ১৪। গ্রুপ টেবিলে তারা উঠে এল তিন নম্বরে। 
দ্রুত ম্যাচ ফিট করতে শৌভিক চক্রবর্তীকে ঘরোয়া লিগে খেলার কথা বলেছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ। তাই শুক্রবার তন্ময় দাসের সঙ্গে মাঝমাঠে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। তবে মশাল বাহিনীর খেলায় আহামরি কোনও পরিবর্তন হয়নি। আসলে জেসিনের চোট থাকায় ইস্ট বেঙ্গলে গোল করার লোক নেই। তারই প্রভাব পড়ছে গোটা দলের  পারফরম্যান্সে। গ্যালারিতে এক সমর্থক বলেই বসলেন, ‘বিনোর দলের খেলা দেখতে হলে মাথা ধরে যায়।’ প্রথমার্ধে বারদুয়েক লাল-হলুদ রক্ষণে ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিলেন কালীঘাট এসএল’এর ফুটবলাররা। যেখানে ধরা পড়ল রক্ষণ ও মাঝমাঠের ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব। আক্রমণের ক্ষেত্রে কিছুটা সচল দেখাল বাঁ প্রান্তে সায়নকে। বিনো ব্রিগেডের প্রথম আক্রমণ ৩৩ মিনিটে। সায়নের মাইনাস কাজে লাগাতে ব্যর্থ আশিক।  প্রথমার্ধে তাই গোলের খাতা খুলতে পারেনি ইস্ট বেঙ্গল।  
বিরতির পর তন্ময়ের পরিবর্তে শ্যামলকে মাঠে নামালেন কোচ বিনো। গোল এল ৫৮ মিনিটে। ডান প্রান্তিক আক্রমণ থেকে সেন্টার রেখেছিলেন এডমুন্ড। তা রিসিভ করে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ গুইতের (১-০)। ৮৭ মিনিটে বিজয় মুর্মু সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে গোল সংখ্যা বাড়তে পারত। এরপরেই সেই নাটকীয় ফাউল। লাল-হলুদ ডিফেন্সিভ থার্ডে বল ধরে মার্তণ্ডকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন বর্ষীয়ান সুরজ মণ্ডল। বল দখলের লড়াইয়ে এরপর  তাঁকে ফাউল করেন সুমন। কিন্তু রেফারি তাঁর সহকারীর সঙ্গে আলোচনার পরেও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেননি। 
ইস্ট বেঙ্গল: দেবজিৎ, বিক্রম, মার্তণ্ড, জোসেফ, এডমুন্ড (রামসাঙ্গা), শৌভিক, গুইতে (আজাদ), সায়ন (বিজয়), সুমন, আশিক (রোশাল), তন্ময়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ