Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গত বর্ষায় দ্বারকেশ্বর গিলেছিল ঘর, আবাসের টাকায় সবাই করেছেন ছাদ

গত বর্ষায় দ্বারকেশ্বর কেড়ে নিয়েছিল শান্তি। তালিতের প্রফুল্ল, নন্দলাল, কাশীনাথদের মাথার ছাদ কেড়ে নিয়েছিল বাঁধভাঙা জলস্রোত। বছর ঘুরে আবার দরজায় কড়া নাড়ছে বর্ষা।

গত বর্ষায় দ্বারকেশ্বর গিলেছিল ঘর, আবাসের টাকায় সবাই করেছেন ছাদ
  • ১১ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তালিত (খানাকুল): গত বর্ষায় দ্বারকেশ্বর কেড়ে নিয়েছিল শান্তি। তালিতের প্রফুল্ল, নন্দলাল, কাশীনাথদের মাথার ছাদ কেড়ে নিয়েছিল বাঁধভাঙা জলস্রোত। বছর ঘুরে আবার দরজায় কড়া নাড়ছে বর্ষা। তবে এবার ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে তৈরি হওয়া নতুন গৃহে প্রবেশ করার স্বপ্ন বুনছেন তাঁরা। টুকটাক কিছু কাজ বাকি রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাবে বলে আশা। তবে প্রশাসনিক সাহায্য নিয়ে তাঁদের গলায় ক্ষোভের সুর। দ্বারকেশ্বরের গা ঘেঁষেই পাকা ঘর ছিল প্রফুল্ল মণ্ডলের। গত বছর সেপ্টেম্বরে নদীর জলের চাপে আচমকা ভেসে যায় সেই পাকা ঘর। এক কাপড়ে বেরিয়ে আসতে হয় প্রফুল্লবাবু ও তাঁর স্ত্রী পুষ্পদেবীকে। প্রায় এক বছর ধরে বাঁধের পাড়ে একটি সাইকেল দোকানে কাটিয়েছেন প্রফুল্লবাবুর পরিবার। এরপর ‘বাংলার বাড়ি’-র টাকা পান। প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করেন বাড়ি তৈরির কাজ। বন্যার জল নেমে যেতে সেখান থেকেই খুঁজে পান পুরনো ঘরের কাঠের জানলা, লোহার গ্রিল। নতুন ঘরে সেইসব লাগিয়েছেন। মেঝের কাজ শেষ হলেই ঢুকবেন নতুন ঘরে। প্রফুল্লবাবু বলেন, আগে চাষ করে সংসার চলত। এখন শরীর অশক্ত হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। তাই আর কাজ কিছু করতে পারি না। রেশনের চাল পাই বিনামূল্যে। কোনওভাবে চলে যাচ্ছে। ছেলেরা বাইরে থাকে। সরকার থেকে এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়েছে। তাতেই ঘর তৈরি করেছি। বাইরে বহু টাকা দেনা। তাই ঘর তৈরির কাজ দেরি হচ্ছে। আশা করছি কিছু দিনের মধ্যে ঘরে ঢুকব।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ