বোস্টন: চলতি বিশ্বকাপে ‘ডার্ক হর্স’ নরওয়ে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর মেগা আসরে ফিরে রীতিমতো ভয়ঙ্কর তারা। মঙ্গলবার আইভরি কোস্টকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা তাদের। মেগা আসরে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে আর্লিং হালান্ডদের ফিটনেস। তার রহস্য লুকিয়ে নরওয়ান খাবারে। যুক্তরাষ্ট্রে খাবারের উপর ভরসা না করে ফুটবলারদের ফিটনেস ঠিক রাখতে নরওয়ে দল ১ টনেরও বেশি নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে এসেছে।
বড় টুর্নামেন্টে বিদেশের খাবারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বড় চ্যালেজ্ঞ। তাই এবার বিশ্বকাপে জায়গা পাকা হওয়ার পর থেকেই এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন। ক্রীড়া বিজ্ঞান বলছে, মেগা আসরে পারফরম্যান্সের উপর ডায়েট আর রুটিনের বড় প্রভাব থাকে। মাঠের লড়াইয়ের আগে রসনার তৃপ্তিও প্রয়োজন। খেলোয়াড়দের খাবারের তালিকায় সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় স্যামন মাছ ও নরওয়েজিয়ান চিজ। এছাড়া প্রচুর কমলালেবুও নিয়ে আসা হয়েছে নরওয়ে থেকে। খাবারদাবারের পুরো বিষয়টিই দেখভাল করেন দলের নিজস্ব শেফরা। ২০১৮ ওলিম্পিকসেও খাবারের জন্য শিরোনামে এসেছিল ভাইকিংসের দেশ। আর ফুটবল বিশ্বকাপে নরওয়েই প্রথম নয়। গত বিশ্বকাপে তো আর্জন্তিনাও দেশ থেকে প্রচুর মাংস কাতারে নিয়ে গিয়েছিল। ফল সবার সামনে। বিশ্বকাপের মতো মেগা আসরে অনেক ঝামেলা থাকে। আমেরিকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা তীব্র গরমে এক ভেন্যু থেকে অন্য ভেন্যুতে ভ্রমণ, হোটেলে জীবন— এমনিতেই যন্ত্রণাদায়ক। তাই নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন চেষ্টা করেছে প্লেয়াররা যাতে চেনা খাবার অন্তত পায়।