Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল, দু’দিনের মধ্যে সব বিএলএ’র সঙ্গে বিধায়কদের বৈঠকে বসার নির্দেশ

এসআইআরের শুনানি পর্বে দলের নেতা-কর্মীদের কী করণীয়, তার রূপরেখা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল, দু’দিনের মধ্যে সব বিএলএ’র সঙ্গে বিধায়কদের বৈঠকে বসার নির্দেশ
  • ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: এসআইআরের শুনানি পর্বে দলের নেতা-কর্মীদের কী করণীয়, তার রূপরেখা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়েই রবিবার তৃণমূলের দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব বৈঠকে বসেছিল। সেখানে আগামী দিনের রণকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে দলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ পার্থ ভৈমিক, মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ছাড়াও জেলার অন্যান্য বিধায়ক, দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের শীর্ষনেতারা হাজির ছিলেন। সেখানে পার্থবাবু বিধানসভা ধরে ধরে আলোচনা করেন। বিধায়কদের তিনি দু’দিনের মধ্যে সমস্ত বিএলএ’র সঙ্গে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁদের আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে প্রতিটি বিধানসভায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের নির্দেশ, সেই তালিকা ধরে প্রত্যেকের বাড়ি যেতে হবে বিএলএ ও তৃণমূলের বুথ রক্ষা কমিটির সদস্যদের। পাশাপাশি,  কাদের শুনানিতে ডাকা হল, কতজন হাজিরা দিলেন, সেই তথ্য প্রতিদিন দলের ওয়ার রুমে পাঠাতে হবে। বিএলএরা শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিদিন বিধানসভার ওয়ার রুমে পাঠাবেন। সংশ্লিষ্ট বিধানসভার বিধায়ক সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে জেলাস্তরের ওয়ার রুমে জমা করবেন।

Advertisement

দলের দমদম-বারাকপুর  সাংগঠনিক জেলার কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম হয়েছে টিটাগড়ে জেলা পার্টি অফিসে। সেখানকার ইনচার্জ করা হয়েছে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা পানিহাটির কাউন্সিলার সম্রাট চক্রবর্তীকে। তিনি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুমে আসা তথ্য জেলা সভাপতি তথা বারাকপুরের সাংসদকে রিপোর্ট করবেন। তিনি সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাঠাবেন। এদিন বৈঠক শেষে ব্রাত্য বসু বলেন, ‘বিজেপি যদি বুনো ওল হয়, তৃণমূল বাঘা তেঁতুল। তৃণমূলের কাছে সব রোগের ওষুধ রয়েছে। ওরা এবার বুঝবে, এসআইআর করে মানুষকে বিপদে ফেলে, লাইনে দাঁড় করিয়ে দিল্লি, বিহারের ভোট জেতা গেলেও পশ্চিমবঙ্গে তা সম্ভব নয়।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ