সংবাদদাতা, তেহট্ট: বাজারে অমিল নদীর মাছ। সমস্যায় পড়েছে কয়েক হাজার মৎস্যজীবী। জল দূষনের যুক্তি দিচ্ছেন মৎস্যজীবীরা। নদীর মাছ না মেলার প্রধান কারনই জল দূষন ও নদী স্রোতহীন। তেহট্ট-১ ব্লকের তথা মহকুমার প্রধান নদী বলতে জলঙ্গি। আর এই নদীকে কেন্দ্র করেই সারাবছর জীবিকা নির্বাহ করে প্রায় হাজার তিনেক মৎস্যজীবীরা। তেহট্ট ১ ব্লকের নিশ্চিন্তপুর, তারানগর, ইসলামপুর, চাঁদেরঘাট, শোলুয়া সহ বেশকিছু জায়গায় নদীতে মাছ ধরে সকালে বাজারে বিক্রি করে। নদীতে মাছ অমিল। যেকারনে আর্থিক উপার্জন নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। জেলেদের ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাধারনত নদীর জল কমার পর মূলত এ সময় নদী থেকে বাটা, বাঁশপাতা, ফাতাসি, উরুল, বালিচাটা খয়রা, বাচা, ঘেরু ট্যাংরা, সহ অনান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। এখন বাজারে দেখা যাচ্ছে না নদীর মাছের। গতবারেও এসময় প্রায় অধিকাংশ মাছ পাওয়া যায়নি বলে দাবি মৎস্যজীবীদের। তেহট্টের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে মাছ বাজার। সেই সব বাজারে বিক্রিত মাছের মধ্যে বেশিরভাগটাই সামুদ্রিক। তার মধ্যে রয়েছে পমফ্রেট, ইলিশ, পাবদা, সামুদ্রিক ইটি। আর রুই, কাতলা, চিংড়ি, জিওল থাকলেও তা মূলত পুকুরে চাষ করা। তবে এই সময় মানুষের পছন্দের বাটা পোনা বা
নদীর সুস্বাদু রুই , কাতলার দেখা নেই বাজারে।



