Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দেউচায় উদ্ধার হওয়া মহিলার দেহ শনাক্ত করলেন ছেলে

দেউচায় উদ্ধার হওয়া মহিলার দেহ শনাক্ত করলেন ছেলে
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মহম্মদবাজারের দেউচা জলাধার থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি মহিলার দেহ শনাক্ত করল পরিবার। রামপুরহাট মেডিক্যালের মর্গে এসে হাতের ও বুকের ট্যাটু দেখে মাকে চিনতে পারেন ছেলে যতীন হাঁসদা। তাঁর দাবি, মাকে খুন করে বস্তা বন্দি করে দেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। সোমবার ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। 
Advertisement
গত শনিবার সকালে মহম্মদাবাজারে দেউচায় দ্বারকা নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলার বস্তাবন্দি মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস মৃতদেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যালে পাঠায়। পুলিস প্রাথমিকভাবে অনুমান করে, ঝাড়খণ্ড থেকে ভেসে আসতে পারে দেহটি। পরিচয় জানতে মহিলার দেহের ছবি তুলে জেলার পাশাপাশি লাগোয়া ঝাড়খণ্ডের থানাগুলিতে পাঠায় পুলিস।  
এরই মধ্যে রবিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের শহরপুর এলাকা থেকে বেশকিছু মানুষ আসেন রামপুরহাট মেডিক্যালের মর্গে। তাঁরা দেহটি দেখে চিনতে পারেন। এরপরই তাঁরা মহম্মদবাজার থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেইমতো সোমবার দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সুন্দরী মারান্ডি (৪২)। বাড়ি ঝাড়খণ্ডের শিকারিপাড়া থানার শহরপুর গ্রামে। স্বামী রসিক হাঁসদা বছর পাঁচেক আগে মারা যান। তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। বড় ছেলে যতীন হাঁসদা মায়ের দেহ শনাক্ত করেছেন। যতীন বলেন, গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মা নিখোঁজ ছিলেন। ওইদিন গ্রামে সরস্বতী প্রতিমার বিসর্জন চলছিল। মা শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিল। রাত সাড়ে এগারোটার পর থেকে মা নিখোঁজ হয়ে যায়। আত্মীয়দের বাড়ি থেকে শুরু করে অনেকে জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি শিকারিপাড়া থানায় নিখোঁজের অভিযোগ করি। গত শনিবার সন্ধ্যায় মহম্মদবাজারের হরিণশিঙা গ্রামের এক আত্মীয়ের থেকে খবর পাই, দেউচায় দ্বারকা নদের জল থেকে বস্তাবন্দি এক মহিলার মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। দেহের ডানহাতের কনুই, বামহাতের কব্জি ও বুকে থাকা ট্যাটু দেখে নিশ্চিত হই দেহটি আমার মা সুন্দরী মারান্ডির।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ