নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: গাছ স্থানান্তরে দেশজুড়ে এখনও অবধি সাফল্যের হার ৭৫ শতাংশ। তবে দেউচা পাচামির ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ সাফল্য পেতে মরিয়া চেষ্টা শুরু হয়েছে। সেই অনুযায়ী বিশেষজ্ঞরাও ময়দানে নেমেছেন। ৯০দিনের সময়সীমা নিয়ে শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মহুয়া গাছ স্থানান্তর শুরু হল। স্থানান্তরের জেরে গাছের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করা হবে। প্রতিটি গাছ পূর্বের অবস্থানে যে অবস্থায় ছিল, সেভাবেই প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে।
Advertisement
এদিন পাঁচটি মহুয়া গাছ প্রতিস্থাপন করা হয়। জেলাশাসক বিধান রায়, অতিরিক্ত জেলাশাসক বাবুলাল মাহাত, গাছ স্থানান্তরণ বিশেষজ্ঞ রামচন্দ্র আপ্পারি সহ অন্যদের উপস্থিতিতে সেই কাজ চলে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আগামীতে ধাপে ধাপে বাকি মহুয়া সহ অন্য কিছু গাছ প্রতিস্থাপন করা হবে। গাছ প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়রা খুশি। এশিয়ার সর্ববৃহৎ কয়লা ব্লক হিসেবে দেউচা পাচামি ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর থেকেই প্রকল্প এলাকায় খননকাজ শুরু হয়েছে। সেই কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। ক্রমশ গর্তের আয়তন বাড়ছে। সেজন্য এদিন প্রকল্প এলাকার গাছ সরানোর কাজ শুরু হল। বৃহস্পতিবার প্রথমে গাছের ‘রুট বল’ তৈরি করা হয়। তারপর সেখানেই হরমোনাল ট্রিটমেন্ট চলে। পরবর্তীতে দুপুরে জেলাশাসক সহ বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে গাছ প্রতিস্থাপন করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এই কাজ গতি পেলে দিনে প্রায় ২০টি গাছ প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে। সেক্ষেত্রে ৯৮০টি গাছ প্রতিস্থাপন করতে প্রায় ৯০দিন সময় লাগবে। গাছ প্রতিস্থাপনের পর থেকে ৬০দিনের মাথায় নতুন করে মূল ও ডালপালার বিস্তার শুরু হবে। তার আগে একদিন অন্তর গাছে জল দেওয়া হবে। বিশেষ সূত্রে খবর, এক-একটি গাছে দিনে প্রায় ১০০লিটার জল দেওয়া হবে। প্রকল্প এলাকা থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যেই গাছ প্রতিস্থাপন করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, এখানকার আবহাওয়া ও মাটি সবই অনুকূল। ফলে সাফল্যের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও প্রবল। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন একজন মানুষও উচ্ছেদ হবেন না। কোনও গাছ নষ্ট হবে না। সেইমতোই গাছের প্রতিস্থাপন শুরু হয়েছে। এসআরডিএ’র চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল বলেন, মুখ্যমন্ত্রী গাছ সহ সমস্ত জীব ভালোবাসেন। গাছেরও প্রাণ আছে। সেটা নষ্ট করার অধিকার আমাদের নেই। সবক’টি গাছই তুলে অন্যত্র বসানো হবে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এই কাজ গতি পেলে দিনে প্রায় ২০টি গাছ প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে। সেক্ষেত্রে ৯৮০টি গাছ প্রতিস্থাপন করতে প্রায় ৯০দিন সময় লাগবে। গাছ প্রতিস্থাপনের পর থেকে ৬০দিনের মাথায় নতুন করে মূল ও ডালপালার বিস্তার শুরু হবে। তার আগে একদিন অন্তর গাছে জল দেওয়া হবে। বিশেষ সূত্রে খবর, এক-একটি গাছে দিনে প্রায় ১০০লিটার জল দেওয়া হবে। প্রকল্প এলাকা থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যেই গাছ প্রতিস্থাপন করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, এখানকার আবহাওয়া ও মাটি সবই অনুকূল। ফলে সাফল্যের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও প্রবল। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন একজন মানুষও উচ্ছেদ হবেন না। কোনও গাছ নষ্ট হবে না। সেইমতোই গাছের প্রতিস্থাপন শুরু হয়েছে। এসআরডিএ’র চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল বলেন, মুখ্যমন্ত্রী গাছ সহ সমস্ত জীব ভালোবাসেন। গাছেরও প্রাণ আছে। সেটা নষ্ট করার অধিকার আমাদের নেই। সবক’টি গাছই তুলে অন্যত্র বসানো হবে।



