নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: অবশেষে বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই লক্ষ্মীবারে আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লাখনির কাজের সূচনা হল। বৃহস্পতিবার দেউচা পাচামির চাঁদা মৌজায় ভূমিপুজোর মধ্য দিয়ে সেই কাজের সূচনা করা হল। বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায়, জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ সহ পুলিস-প্রশাসনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রথমেই জেলাশাসক ও পুলিস সুপার চাঁদা মৌঁজায় পৌঁছে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে এই প্রকল্প নিয়েও তাঁরা যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত। তাঁদের বক্তব্য, এলাকায় নতুন কর্মসংস্থান হবে। জেলাশাসকও জানিয়েছেন, স্থানীয়রাই ব্যাসল্ট মাইনিংয়ে কাজ করবেন। প্রথম পর্বের কাজ আন্ডারগ্রাউন্ড হবে। জল, জমি ও জঙ্গলও নষ্ট হবে না। কোনও উচ্ছেদ হচ্ছে না। গাছগুলি স্থানান্তরিত করা হবে।
Advertisement
বুধবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেউচা-পাচামি ইস্যুতে বড় ঘোষণা করেছিলেন। এদিন থেকেই দেউচা-পাচামিতে কাজ শুরুর কথা স্পষ্ট করেছিলেন। তারপর থেকেই জেলার প্রশাসনিক মহলে তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। ওইদিনই জেলার পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা বৈঠক সারেন। এদিন সকাল থেকেই চাঁদা মৌজায় জোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। ১২একর সরকারি জমিতে সেই কাজ শুরু হয়। খুশির খবর চাউর হতেই বহু সাধারণ মানুষও ভিড় জমাতে শুরু করেন। সেইসঙ্গে একে একে জেলা পুলিস-প্রশাসনের কর্তারাও সেখানে পৌঁছন। স্থানীয় বাসিন্দারা একযোগে শিল্পের পক্ষে সওয়াল করেন। শিল্প চাই একথা তাঁরাও স্পষ্ট করেন। এর ফলে নতুন করে আরও কর্মসংস্থান হবে। তাঁরা আরও বেশকিছু দাবি তুলে ধরেন। এখনও যাঁদের চাকরি হয়নি দ্রুত যেন তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারেন সেই বিষয়টি তুলে ধরেন। প্রশাসনের তরফে তাঁদের সকলকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
এদিন বেলা গড়াতেই জেলা প্রশাসন ও পুলিসের কর্তারা উপস্থিত হওয়ার পরপরই ভূমিপুজোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। আর্থমুভার সহ তিনটি ডাম্পার সেখানে পৌঁছয়। তবে এদিন কোনও খননকাজ হয়নি। মূলত ভূমিপুজোর মধ্যে দিয়েই প্রকল্পের কাজের সূচনা করা হয়। যা নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা যথেষ্টই উচ্ছ্বসিত। যদিও এদিন সেখানে ডাম্পার ও আর্থমুভার পৌঁছতেই একাংশ বিক্ষোভে শামিল হন। ঘটনায় গাড়িগুলি খানিকটা পিছু হটে। সেইসঙ্গে ভূমিপুজোতেও বাধা দেওয়া হয়। তবে পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা সকলের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে জেলাশাসক, পুলিস সুপার সহ অন্যান্য কর্তারা মহম্মদবাজার বিডিও অফিসে যান। সেখানে এদিন সকাল থেকে ১১০জনের হেয়ারিং চলছে। এদিন বিকেলে সেখানেই এসআরডিএ চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা বৈঠকে বসেন। ব্যাসল্ট মাইনিংয়ের কাজের জন্য মহম্মদবাজার থানায় স্থানীয়দের নাম নথিভুক্তির কাজও চলছে। জেলাশাসক বলেন, পুজো সম্পন্ন হয়েছে। মেশিন আনা হয়েছে। মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর অভাবনীয় প্যাকেজে খুশি। প্রথম পর্বের কাজে জোর দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মাধব বিত্তার বলেন, জেলা প্রশাসনের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এই প্রকল্পের জেরে আমাদের এখানে বহু কর্মসংস্থান হবে। ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের নেতা লক্ষ্মীরাম হেমব্রম বলেন, প্রতিটি জায়গায় শিল্পের দরকার আছে। আমরাও শিল্প চাই। সকলে যেন ন্যায্য চাকরি পান। একজন আদিবাসীও যেন বঞ্চিত না হন। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ভূমিপুজো হয়ে গিয়েছে। এখানকার সব মানুষ কাজ পাবেন। প্যাকেজে যা আছে সব পাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার বলে দিয়েছেন।
এদিন বেলা গড়াতেই জেলা প্রশাসন ও পুলিসের কর্তারা উপস্থিত হওয়ার পরপরই ভূমিপুজোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। আর্থমুভার সহ তিনটি ডাম্পার সেখানে পৌঁছয়। তবে এদিন কোনও খননকাজ হয়নি। মূলত ভূমিপুজোর মধ্যে দিয়েই প্রকল্পের কাজের সূচনা করা হয়। যা নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা যথেষ্টই উচ্ছ্বসিত। যদিও এদিন সেখানে ডাম্পার ও আর্থমুভার পৌঁছতেই একাংশ বিক্ষোভে শামিল হন। ঘটনায় গাড়িগুলি খানিকটা পিছু হটে। সেইসঙ্গে ভূমিপুজোতেও বাধা দেওয়া হয়। তবে পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা সকলের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে জেলাশাসক, পুলিস সুপার সহ অন্যান্য কর্তারা মহম্মদবাজার বিডিও অফিসে যান। সেখানে এদিন সকাল থেকে ১১০জনের হেয়ারিং চলছে। এদিন বিকেলে সেখানেই এসআরডিএ চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা বৈঠকে বসেন। ব্যাসল্ট মাইনিংয়ের কাজের জন্য মহম্মদবাজার থানায় স্থানীয়দের নাম নথিভুক্তির কাজও চলছে। জেলাশাসক বলেন, পুজো সম্পন্ন হয়েছে। মেশিন আনা হয়েছে। মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর অভাবনীয় প্যাকেজে খুশি। প্রথম পর্বের কাজে জোর দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মাধব বিত্তার বলেন, জেলা প্রশাসনের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এই প্রকল্পের জেরে আমাদের এখানে বহু কর্মসংস্থান হবে। ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের নেতা লক্ষ্মীরাম হেমব্রম বলেন, প্রতিটি জায়গায় শিল্পের দরকার আছে। আমরাও শিল্প চাই। সকলে যেন ন্যায্য চাকরি পান। একজন আদিবাসীও যেন বঞ্চিত না হন। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ভূমিপুজো হয়ে গিয়েছে। এখানকার সব মানুষ কাজ পাবেন। প্যাকেজে যা আছে সব পাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার বলে দিয়েছেন।



