নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: এশিয়ার সর্ববৃহত্ কয়লা ব্লক দেউচা পাচামিতে খননকাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্প এলাকার কাছে একটি পরিত্যক্ত জলাভূমি সংস্কার করে পুকুরের রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন। ওই পুকুরে আগামী দিনে মাছচাষের ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। মাছ চাষ করে এলাকার মহিলারা আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়ে উঠবেন। সেইসঙ্গে এলাকার অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে। সেইসঙ্গে জলাভূমির একাংশ ভরাট করে খেলার মাঠ তৈরি হবে।
Advertisement
খনন শুরু হতেই এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। প্রকল্প লাগোয়া এলাকায় নিত্যনতুন দোকান বসছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন। ওই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে চুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থানের পথও প্রশস্ত হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২৫জন স্থানীয় বাসিন্দা চুক্তিভিত্তিক কাজের নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছেন। আগামীতে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে। সবমিলিয়ে, স্থানীয় অর্থনীতি ক্রমশ সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, জলাভূমিটি সংস্কার করে পুকুর তৈরি করা হবে। সেখানে স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের মাছ চাষের দায়িত্ব দেওয়া হবে।
বীরভূম জেলা প্রশাসনের তরফে ওই পুকুরের কাছে খেলার মাঠও তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যে মথুরাপাহাড়ী স্কুল স্থানান্তরের জন্য নতুন ভবন তৈরি শুরু হয়েছে। সেই স্কুলের সামনেই ওই জলাজমি রয়েছে। সেই জলাজমির একটা অংশ মাটি দিয়ে ভরাট করা হবে। সেখানে বাচ্চাদের জন্য খেলার মাঠ গড়ে তোলা হবে। প্রকল্প এলাকায় খননকাজে উঠে আসা মাটি দিয়েই ওই জায়গা ভরাট করা হবে। পরবর্তীতে সেই মাঠের চারদিকে মহুয়া গাছ প্রতিস্থাপন করা হবে। অবশিষ্ট জলাভূমিকে পুকুরের রূপ দেওয়া হবে। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষের ভাবনা রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই জোরকদমে দেউচা পাচামিতে খননকাজ চলছে। কাজের অগ্রগতির মাঝেই শুক্রবার থেকে প্রকল্প এলাকায় থাকা মহুয়া গাছ প্রতিস্থাপন শুরু হয়েছে। একাধিক গাছ প্রতিস্থাপন হয়ে গিয়েছে। ওই সমস্ত গাছ প্রতিস্থাপন হতেই স্থানীয়রা শনিবার গাছপুজো করেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক বাবুলাল মাহাত বলেন, আদিবাসী সম্প্রদায় গাছকে দেবতাজ্ঞানে পুজো করে। পুজোর মাধ্যমে ওই সমস্ত গাছের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।
বীরভূম জেলা প্রশাসনের তরফে ওই পুকুরের কাছে খেলার মাঠও তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যে মথুরাপাহাড়ী স্কুল স্থানান্তরের জন্য নতুন ভবন তৈরি শুরু হয়েছে। সেই স্কুলের সামনেই ওই জলাজমি রয়েছে। সেই জলাজমির একটা অংশ মাটি দিয়ে ভরাট করা হবে। সেখানে বাচ্চাদের জন্য খেলার মাঠ গড়ে তোলা হবে। প্রকল্প এলাকায় খননকাজে উঠে আসা মাটি দিয়েই ওই জায়গা ভরাট করা হবে। পরবর্তীতে সেই মাঠের চারদিকে মহুয়া গাছ প্রতিস্থাপন করা হবে। অবশিষ্ট জলাভূমিকে পুকুরের রূপ দেওয়া হবে। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষের ভাবনা রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই জোরকদমে দেউচা পাচামিতে খননকাজ চলছে। কাজের অগ্রগতির মাঝেই শুক্রবার থেকে প্রকল্প এলাকায় থাকা মহুয়া গাছ প্রতিস্থাপন শুরু হয়েছে। একাধিক গাছ প্রতিস্থাপন হয়ে গিয়েছে। ওই সমস্ত গাছ প্রতিস্থাপন হতেই স্থানীয়রা শনিবার গাছপুজো করেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক বাবুলাল মাহাত বলেন, আদিবাসী সম্প্রদায় গাছকে দেবতাজ্ঞানে পুজো করে। পুজোর মাধ্যমে ওই সমস্ত গাছের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।



