সংবাদদাতা, সিউড়ি: সরকারি ভাবে কোনও নোটিস এখনও প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু দেউচা পাচামিতে ব্যাসল্ট খনন শুরু হতেই গাড়ির চালকের কাজের জন্য আবেদন করছেন এই এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, এই খনি এলাকায় আগামীদিনে প্রচুর ডাম্পার ও লরি চলবে পাথর ও কয়লা পরিবহণের জন্য। তাই আগেভাগে তাঁরা আবেদন করছেন।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনে অবশ্যই এই খনি শিল্পাঞ্চলে বহু মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে। তারমধ্যে গাড়ির চালকের কাজও আছে। গত তিনদিন ধরে সিউড়িতে জেলাশাসকের দপ্তরে প্রায় হাজার খানেক আবেদন জমা পড়েছে। দেউচা পাচামি সহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার গাড়ির চালকরা সাদা কাগজে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করছেন। প্রকল্পে গাড়ির চালক দরকার হলে যেন তাঁদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। সোমবার সিউড়িতে জেলাশাসকের কার্যালয়ে শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিন আবেদন জমা দিতে আসা ময়ূরেশ্বরের বাসিন্দা সঞ্জয় দাস বলেন, সরকারি ভাবে গাড়ির চালক নেওয়ার নোটিস প্রশাসন দেয়নি। আমি অন্যান্য গাড়ির চালকদের লোকমুখে শুনে সিউড়িতে আবেদন জমা দিলাম। শুনেছি যাদের হেভি গাড়ির লাইসেন্স রয়েছে তাঁরা আবেদন করছেন। সবাই আবেদন জমা করছে তাই কম্পিউটারে তৈরি করে আবেদন পত্র জমা করলাম। একই বক্তব্য অন্যান্য আবেদনকারীদেরও। তবে নিছকই গুজবের জেরে এত আবেদনপত্র জমা পড়ছে বলে প্রশাসনের কর্তাদের দাবি। চলতি মাসের শুরুতেই দেউচা পাচামিতে খনন শুরু হয়েছে। সেখানে জঙ্গল পুনর্বাসন এবং ব্যাসল্ট মাইনিংয়ের খনন কাজ শুরু হয়েছে। খননে উঠে আসা মাটি অন্যত্র সরানো হচ্ছে ডাম্পারে করে। এই মাইন থেকে পাথর উত্তোলন হলে সেই পাথর বিক্রি হবে বাজারে। আর এর জন্যই প্রচুর গাড়ি ও গাড়ির চালক দরকার হবে আগামী দিনে। সেখানে জমি নিয়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার কাজ চলছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও আগামী দিনে সেখানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থার কথা বলেছিলেন। সেই আশাতেই তড়িঘড়ি সরকারি বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই আবেদন করছেন চালকরা। তবে এই গুজব আদৌ কোনও অসাধু চক্রের চক্রান্ত কিনা সেদিকেও নজর রাখছে প্রশাসন। পাশাপাশি আবেদনও জমাও নিচ্ছে প্রশাসন। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, গাড়ির চালকরা কাজের আশায় আবেদন করছেন। সরকারি নোটিস বা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। চালকরা আবেদন করছেন, তাই নেওয়া হচ্ছে।
এদিন আবেদন জমা দিতে আসা ময়ূরেশ্বরের বাসিন্দা সঞ্জয় দাস বলেন, সরকারি ভাবে গাড়ির চালক নেওয়ার নোটিস প্রশাসন দেয়নি। আমি অন্যান্য গাড়ির চালকদের লোকমুখে শুনে সিউড়িতে আবেদন জমা দিলাম। শুনেছি যাদের হেভি গাড়ির লাইসেন্স রয়েছে তাঁরা আবেদন করছেন। সবাই আবেদন জমা করছে তাই কম্পিউটারে তৈরি করে আবেদন পত্র জমা করলাম। একই বক্তব্য অন্যান্য আবেদনকারীদেরও। তবে নিছকই গুজবের জেরে এত আবেদনপত্র জমা পড়ছে বলে প্রশাসনের কর্তাদের দাবি। চলতি মাসের শুরুতেই দেউচা পাচামিতে খনন শুরু হয়েছে। সেখানে জঙ্গল পুনর্বাসন এবং ব্যাসল্ট মাইনিংয়ের খনন কাজ শুরু হয়েছে। খননে উঠে আসা মাটি অন্যত্র সরানো হচ্ছে ডাম্পারে করে। এই মাইন থেকে পাথর উত্তোলন হলে সেই পাথর বিক্রি হবে বাজারে। আর এর জন্যই প্রচুর গাড়ি ও গাড়ির চালক দরকার হবে আগামী দিনে। সেখানে জমি নিয়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার কাজ চলছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও আগামী দিনে সেখানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থার কথা বলেছিলেন। সেই আশাতেই তড়িঘড়ি সরকারি বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই আবেদন করছেন চালকরা। তবে এই গুজব আদৌ কোনও অসাধু চক্রের চক্রান্ত কিনা সেদিকেও নজর রাখছে প্রশাসন। পাশাপাশি আবেদনও জমাও নিচ্ছে প্রশাসন। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, গাড়ির চালকরা কাজের আশায় আবেদন করছেন। সরকারি নোটিস বা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। চালকরা আবেদন করছেন, তাই নেওয়া হচ্ছে।



