সংবাদদাতা, বেলদা: দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে দাঁতনে এলেন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। রবিবার এই কর্মসূচিতে তাঁর মুখে উঠে এল বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গ। এদিন তিনি বিভিন্ন এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।
Advertisement
লোকসভা ভোটের পর থেকে এলাকায় দিলীপবাবুকে খুব একটা দেখা যেত না। রবিবার হঠাৎ তিনি দাঁতন-১ ব্লকের কালীচণ্ডী বাজার সহ নানা এলাকায় দলের সদস্য সংগ্রহে অংশ নেন। দাঁতন-২ ব্লকের জানাবাড় ও মোহনপুর ব্লকের কেউটখলিসা, মোহনপুর সহ বিভিন্ন এলাকাতেও এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
দিলীপবাবু বলেন, একসময় আমরা দেখেছি, আফগানিস্তানে মৌলবাদের কীরকম উন্মাদনা হয়েছিল। তার পরিণামে সেই দেশটা প্রায় ২০-২৫বছর পিছিয়ে গিয়েছে।
এখন বাংলাদেশের লোকের খাওয়াদাওয়া, চাকরি নেই। সেখানে কিছু মৌলবাদী ভারতবিদ্বেষে নেমেছে। যে ভারতের উপর বাংলাদেশ খাওয়াপরা, ওষুধপত্র, জীবনযাত্রার জন্য পুরোপুরি নির্ভর করে। মাথা খারাপ হলে লোকে এরকম করে। লাভটা কার হচ্ছে? ভারতের কী করতে পারবে ওরা? ভারতের যদি ইচ্ছে হয়, পুরো ব্লক করে দেয়-তাহলে ওই দেশটা পুরো শুকিয়ে যাবে। খেতেও পাবে না। ওষুধও পাবে না। তবে আমরা চাইব, বাংলাদেশ তাড়াতাড়ি শান্ত হোক। তাদের দেশে আবার শান্তি ও উন্নতি ফিরুক।
দিলীপবাবু বলেন, একসময় আমরা দেখেছি, আফগানিস্তানে মৌলবাদের কীরকম উন্মাদনা হয়েছিল। তার পরিণামে সেই দেশটা প্রায় ২০-২৫বছর পিছিয়ে গিয়েছে।
এখন বাংলাদেশের লোকের খাওয়াদাওয়া, চাকরি নেই। সেখানে কিছু মৌলবাদী ভারতবিদ্বেষে নেমেছে। যে ভারতের উপর বাংলাদেশ খাওয়াপরা, ওষুধপত্র, জীবনযাত্রার জন্য পুরোপুরি নির্ভর করে। মাথা খারাপ হলে লোকে এরকম করে। লাভটা কার হচ্ছে? ভারতের কী করতে পারবে ওরা? ভারতের যদি ইচ্ছে হয়, পুরো ব্লক করে দেয়-তাহলে ওই দেশটা পুরো শুকিয়ে যাবে। খেতেও পাবে না। ওষুধও পাবে না। তবে আমরা চাইব, বাংলাদেশ তাড়াতাড়ি শান্ত হোক। তাদের দেশে আবার শান্তি ও উন্নতি ফিরুক।



