নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: দূষণে ঢাকা পড়ছে শিল্পাঞ্চল। পরিবেশবিদদের মতে, দূষণ রোধের একমাত্র উপায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ। অথচ দূষণে জেরবার রানিগঞ্জেই নির্বিচারে চলছে বৃক্ষ ছেদন। বৃহস্পতিবার শহরে ৩০টি বড় গাছ কেটে ফেলার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, রানিগঞ্জ শিশুবাগান এলাকায় ৩০টি বড় গাছ কাটা হয়েছে। খবর পেয়ে বনদপ্তরের টিম হাজির হয় এলাকায়। গাছ কাটা বন্ধ করিয়ে অভিযুক্তকে দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুবাগান ময়দান সংলগ্ন এলাকায় জ্ঞান লোহারুবালার নামে বাসিন্দার বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, তাঁর বাড়ির পাশে থাকা বহু পুরনো গাছগুলি নির্বিচারে কাটতে শুরু করেছিলেন। এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি দাপটের সঙ্গে জানাতেন সব অনুমতি নিয়েই গাছ কাটা হচ্ছে। তারই আত্মীয় রাজেশ লোহারুবালা বনদপ্তরে মৌখিক অভিযোগ করেন। এরপরই বনদপ্তরের রানিগঞ্জ বিট অফিস থেকে আধিকারিক তপন ঘোষাল এলাকায় হাজির হন। গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন। এই বিষয়ে অভিযুক্ত জ্ঞান লোহারুয়ালাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে বলেন, গাছ কাটা হচ্ছিল না, ডাল ছাঁটা হচ্ছিল। তবে, সাংবাদিক পরিচয় জানার পর তিনি আর কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।
Advertisement
যদিও অভিযোগকারী রাজেশ লোহারুবালা বলেন, বহু পুরনো গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। বাধা দিতে গেলে বলা হতো অনুমতি নিয়ে গাছ কাটা হচ্ছে। বনদপ্তরের কাছে মৌখিক বিষয়টি জানতে চেষ্টা করি। তখনই জানা যায়, কোনওরকম অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটা হচ্ছে। শিল্পাঞ্চলে একইভাবে একের পর এক গাছকাটার ঘটনা সামনে আসছে। কিছুদিন আগে হীরাপুর থানা এলাকার সূর্যনগর পাম্প হাউসের কাছে বিপুল পরিমাণ গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছিল। বনদপ্তর পদক্ষেপ নিয়েছিল। কুলটি থানার সাঁকতোড়িয়া এলাকাতেও বহু গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। শিল্পাঞ্চলে ব্যাপকভাবে দূষণ বাড়ছে। তারপরেও মানুষের মধ্যে কোনওরকম সচেতনতা বৃদ্ধি হয়নি। তা পরপর গাছ কাটার ঘটনা প্রকাশ্যে আসা থেকেই স্পষ্ট।
ডিএফওঅনুপম খান বলেন, গাছ কাটার অভিযোগ পেলেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
ডিএফওঅনুপম খান বলেন, গাছ কাটার অভিযোগ পেলেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।



