নিজস্ব প্রতিনিধি, চণ্ডীপুর: সন্ধ্যায় ননদের বাড়ি থেকে হেঁটে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীদের হাতে খুন হলেন একজন প্রৌঢ়া। কানের জোড়া সোনার দুল ও নাকছাবি ছিঁড়ে নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। চণ্ডীপুর থানার নন্দপুর গ্রামের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মৃতের নাম জ্যোৎস্না প্রধান(৫২)। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে ডেনেগাছিয়া খালের মধ্যে ওই প্রৌঢ়ার দেহ দেখতে পান এলাকার লোকজন। পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এদিন দুপুরে নিহতের জ্যেঠশ্বশুর জিতেন্দ্রনাথ প্রধান চণ্ডীপুর থানায় এফআইআর করেছেন। থানার ওসি দীপক অধিকারী বলেন, খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
Advertisement
চণ্ডীপুর থানার দিবাকরপুরে মৃত জ্যোৎস্নাদেবীর ননদের বাড়ি। ধান ঝাড়াইয়ের কাজ চলায় তিন-চারদিন আগে ননদের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ তিনি ননদের বাড়ি থেকে হেঁটে নিজের ঘরে ফিরছিলেন। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ তাঁকে যেতে দেখেন এলাকার লোকজন। কিন্তু, রাতে জ্যোৎস্নাদেবী বাড়ি ফিরে আসেননি। কয়েক বছর আগে তাঁর স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।। ছেলে সুরজিৎ গুজরাতের সুরাতে কাজ করেন। রাতে বাড়ি না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু, কোথাও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে নন্দপুর গ্রামে নিজের বাড়ি থেকে খানিকটা দূরেই ডেনেগাছিয়া খালের ধারে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা এক মহিলার দেহ দেখতে পাওয়া যায়। এলাকা লোকজন গিয়ে দেখেন, সেটি জ্যোৎস্নাদেবীর দেহ। মৃতের দাদা কালীপদ জানা প্রথম বোনের দেহ খালের ধারে পড়ে থাকতে দেখেন। ওই প্রৌঢ়ার বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি পাশাপাশি। দেহ উদ্ধারের খবর জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দেহ উদ্ধার হতে দেখা যায়, কানের জোড়া দুল এবং নাকছাবি উধাও। কানের পাতা ছেঁড়া। অনুমান, সোনার গয়না ছিনতাই করার জন্য দুষ্কৃতী খুন করেছে। তারপর গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছে। খবর জানাজানি হতেই আশপাশ এলাকা থেকে লোকজন জড়ো হয়। খবর পেয়ে চণ্ডীপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযোগকারী জিতেন্দ্রনাথ প্রধান চণ্ডীপুর থানার সামনে বলেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ভাইপো আগেই মারা গিয়েছে। বউমা অনেক কষ্ট সহ্য করেছে। সকলের আপদে বিপদে জ্যোৎস্না ঝাঁপিয়ে পড়ত। দিবাকরপুর গ্রামে ভাইঝির বাড়িতে ধান ঝাড়াইয়ের কাজ চলায় বউমা সাহায্য করতে গিয়েছিল। কিন্তু বাড়ির কাছেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল। সন্ধ্যা ৭টায় বউমাকে হেঁটে আসতে দেখেছে লোকজন। তারপর আর বউমার খোঁজ পাওয়া যায়নি। সোনার গয়নার লোভে দুষ্কৃতী তাকে খুন করেছে। আমরা এই ঘটনায় দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইছি।
বৃহস্পতিবার সকালে নন্দপুর গ্রামে নিজের বাড়ি থেকে খানিকটা দূরেই ডেনেগাছিয়া খালের ধারে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা এক মহিলার দেহ দেখতে পাওয়া যায়। এলাকা লোকজন গিয়ে দেখেন, সেটি জ্যোৎস্নাদেবীর দেহ। মৃতের দাদা কালীপদ জানা প্রথম বোনের দেহ খালের ধারে পড়ে থাকতে দেখেন। ওই প্রৌঢ়ার বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি পাশাপাশি। দেহ উদ্ধারের খবর জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দেহ উদ্ধার হতে দেখা যায়, কানের জোড়া দুল এবং নাকছাবি উধাও। কানের পাতা ছেঁড়া। অনুমান, সোনার গয়না ছিনতাই করার জন্য দুষ্কৃতী খুন করেছে। তারপর গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছে। খবর জানাজানি হতেই আশপাশ এলাকা থেকে লোকজন জড়ো হয়। খবর পেয়ে চণ্ডীপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযোগকারী জিতেন্দ্রনাথ প্রধান চণ্ডীপুর থানার সামনে বলেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ভাইপো আগেই মারা গিয়েছে। বউমা অনেক কষ্ট সহ্য করেছে। সকলের আপদে বিপদে জ্যোৎস্না ঝাঁপিয়ে পড়ত। দিবাকরপুর গ্রামে ভাইঝির বাড়িতে ধান ঝাড়াইয়ের কাজ চলায় বউমা সাহায্য করতে গিয়েছিল। কিন্তু বাড়ির কাছেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল। সন্ধ্যা ৭টায় বউমাকে হেঁটে আসতে দেখেছে লোকজন। তারপর আর বউমার খোঁজ পাওয়া যায়নি। সোনার গয়নার লোভে দুষ্কৃতী তাকে খুন করেছে। আমরা এই ঘটনায় দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইছি।



