নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: চোর, ডাকাত নয়। সিসি ক্যামেরার তার কাটছে ইঁদুর। যার জেরে শিলিগুড়ি শহরের নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা মার খাচ্ছে। ইঁদুরের এমন উপদ্রব নিয়ে কালঘাম ছুটেছে পুলিস ও পুরসভার। তারা ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের পথ খুঁজছে। একই সঙ্গে শহরের সিসি ক্যামেরাগুলির অবস্থা যাচাই করতে সার্ভে টিম গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে পুরসভা। শীঘ্রই তারা এ ব্যাপারে বরো ভিত্তিক ‘ওয়ানম্যান’ টিম গড়বে।
Advertisement
শিলিগুড়ি শহরে ইঁদুরের উপদ্রব দীর্ঘদিনের। রাস্তা ও নিকাশি নালা থেকে মাটি বের করে দুর্বল করে দিচ্ছে। এবার মূষিক হানা দিয়েছে সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোল রুমের তারে। কিরণচন্দ্র শ্মশানে দীর্ঘদিন ধরে ১৮টি ক্যামেরা অচল থাকার ঘটনা সামনে আসতেই বিষয়টি নজরে পড়েছে পুরসভার। স্থানীয় সূত্রের খবর, শহরে নাগরিকদের দাবি মতো ডাম্পিং গ্রাউন্ড, লালমোহন মৌলিক নিরঞ্জন ঘাট, সূর্য সেন পার্ক, কিরণচন্দ্র শ্মশান, ৯, ১৩ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডে দেড়শোরও বেশি ক্যামেরা পুরসভার তরফে বসানো হয়েছে। যারমধ্যে বেশকিছু ক্যামেরা অচল রয়েছে।
পুরসভার কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, চোর, ডাকাত কিংবা দুষ্কৃতীরা নয়, ইঁদুরের উপদ্রবে অধিকাংশ ক্যামেরা অচল হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় ক্যামেরার জন্য কন্ট্রোল রুম রয়েছে। সেখানে মনিটর রয়েছে। সেই মনিটরের তার ইঁদুর কেটে দেওয়ায় ক্যামেরাগুলি অচল হয়ে পড়ছে। তাতে এলাকার ছবি বন্দি হচ্ছে না।
পুরসভার আইটি বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য কমল আগরওয়াল অবশ্য বলেন, ইঁদুর তার কেটে দেওয়ায় দীর্ঘদিন ক্যামেরা অচল থাকার ঘটনা কিরণচন্দ্র শ্মশানে ঘটেছে। শহরের অন্য জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে কি না জানা নেই। তবে শহরের সর্বত্র ইঁদুরের উপদ্রপ বেড়েছে। এই অবস্থায় পুরসভার লাগানো ক্যামেরাগুলি সচল রয়েছে কি না তা যাচাই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য পাঁচটি বরোতে একজন করে কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। যাঁরা নিয়মিত ক্যামেরাগুলি পরীক্ষা করে পুরসভায় রিপোর্ট করবেন। নতুন করে শহরে আরও কিছু ক্যামেরা বসানো হবে। বিকল কিছু ক্যামেরাও সচল করা হবে। আর ইঁদুরের উপদ্রব রোখার বিষয়েও চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। মেয়র গৌতম দেবের অনুমতি নিয়ে এ বিষয়ে কৃষিদপ্তর সহ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করব।
শুধু পুরসভার লাগানো ক্যামেরা নয়, পুলিস ও বিভিন্ন সংস্থার বসানো ক্যামেরাও মাঝেমধ্যে অচল হচ্ছে। এক্ষেত্রেও ইঁদুরের উপদ্রবকে দায়ী করেছেন অনেকে। পুলিস অবশ্য ইঁদুরের উপদ্রবের কথা মানতে নারাজ। পুলিস সূত্রের খবর, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জেরে কিছু জায়গায় মাটি খোঁড়াখুড়ি করা হয়। গাছ কাটার পাশাপাশি বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এজন্য কিছু এলাকায় সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। আবার কিছু এলাকার ক্যামেরা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ইতিমধ্যে অধিকাংশ ক্যামেরা স্বাভাবিক করা হয়েছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, ক্যামেরা ইলেকট্রনিক গ্যাজেট। বিভিন্ন কারণে সেগুলি মাঝেমধ্যে খারাপ হয়। তা মেরামতও করা হয়।
পুরসভার কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, চোর, ডাকাত কিংবা দুষ্কৃতীরা নয়, ইঁদুরের উপদ্রবে অধিকাংশ ক্যামেরা অচল হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় ক্যামেরার জন্য কন্ট্রোল রুম রয়েছে। সেখানে মনিটর রয়েছে। সেই মনিটরের তার ইঁদুর কেটে দেওয়ায় ক্যামেরাগুলি অচল হয়ে পড়ছে। তাতে এলাকার ছবি বন্দি হচ্ছে না।
পুরসভার আইটি বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য কমল আগরওয়াল অবশ্য বলেন, ইঁদুর তার কেটে দেওয়ায় দীর্ঘদিন ক্যামেরা অচল থাকার ঘটনা কিরণচন্দ্র শ্মশানে ঘটেছে। শহরের অন্য জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে কি না জানা নেই। তবে শহরের সর্বত্র ইঁদুরের উপদ্রপ বেড়েছে। এই অবস্থায় পুরসভার লাগানো ক্যামেরাগুলি সচল রয়েছে কি না তা যাচাই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য পাঁচটি বরোতে একজন করে কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। যাঁরা নিয়মিত ক্যামেরাগুলি পরীক্ষা করে পুরসভায় রিপোর্ট করবেন। নতুন করে শহরে আরও কিছু ক্যামেরা বসানো হবে। বিকল কিছু ক্যামেরাও সচল করা হবে। আর ইঁদুরের উপদ্রব রোখার বিষয়েও চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। মেয়র গৌতম দেবের অনুমতি নিয়ে এ বিষয়ে কৃষিদপ্তর সহ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করব।
শুধু পুরসভার লাগানো ক্যামেরা নয়, পুলিস ও বিভিন্ন সংস্থার বসানো ক্যামেরাও মাঝেমধ্যে অচল হচ্ছে। এক্ষেত্রেও ইঁদুরের উপদ্রবকে দায়ী করেছেন অনেকে। পুলিস অবশ্য ইঁদুরের উপদ্রবের কথা মানতে নারাজ। পুলিস সূত্রের খবর, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জেরে কিছু জায়গায় মাটি খোঁড়াখুড়ি করা হয়। গাছ কাটার পাশাপাশি বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এজন্য কিছু এলাকায় সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। আবার কিছু এলাকার ক্যামেরা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ইতিমধ্যে অধিকাংশ ক্যামেরা স্বাভাবিক করা হয়েছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, ক্যামেরা ইলেকট্রনিক গ্যাজেট। বিভিন্ন কারণে সেগুলি মাঝেমধ্যে খারাপ হয়। তা মেরামতও করা হয়।



