সংবাদদাতা, ঘাটাল: প্রায় দু’বছর আগে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি হঠাৎ করে বসে গিয়েছিল। সেই থেকে ব্রিজটি এখনও সংস্কার না হওয়ায় চরম সমস্যায় পড়ছেন দাসপুর-২ ব্লকের চাঁইপাট তেঁতুলতলা এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের অভিযোগ, ব্রিজটি সংস্কারের জন্য বারবার সেচদপ্তরকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এনিয়ে সেচদপ্তর কোনও উদ্যোগ নেয়নি। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে। তখন চন্দ্রেশ্বর খালটিও সংস্কার করার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ব্রিজটি নতুন করে তৈরি হলে কার্যকারিতা থাকবে না। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য সৌমিত্র সিংহরায় বলেন, বেহাল ব্রিজটির জন্য আমাদের ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের খুবই সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শুরু হওয়ার কথা। সেকারণে ব্রিজ তৈরির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
Advertisement
প্রায় চার দশক আগে চন্দ্রেশ্বর খালের উপর ওই ব্রিজটি তৈরি করা হয়েছিল। ২০০ফুট লম্বা এবং ৮ফুট চওড়া ওই ব্রিজটির উপর দিয়ে ওই ব্লকের ভূঁঞ্যাড়া, তেঁতুলতলা, আরিট, বেনাই, নৈহাটি সহ ১০-১৫টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতেন। সেই সঙ্গে ব্রিজটির উপর দিয়ে অটো-টোটো সহ ছোট চারচাকা গাড়িও যাতায়াত করতে পারত। ২০২৩ সালের ২১ জানুয়ারি মাঝরাতে ওই ব্রিজের একাংশ ভেঙে বসে যায়। পরেরদিন ভোর থেকেই তেঁতুলতলায় চন্দ্রেশ্বর খালের ওই ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। সেকারণে চরম বিপাকে পড়েন ওই ব্লকের ১০-১৫টি গ্রামের বাসিন্দারা। দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিখা দোলই বলেন, ব্রিজটির একটি থাম বসে গিয়ে ওই বিপত্তি হয়েছে। ব্রিজটি সেচদপ্তরের। আমরা এনিয়ে সেচ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলছি। বিকল্প কোনও ব্যবস্থা করে দেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে।
চাঁইপাটের বাসিন্দা মলয় জানা, স্বপন মাইতি বলেন, ব্রিজটি অনেক আগেই রুগ্ন হয়ে গিয়েছিল। প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। ফলে নিরুপায় হয়ে ওই ব্রিজ দিয়েই যাতায়াত করতে হতো। স্থানীয়রা বলেন, ব্রিজটি না সংস্কার করে বেশ কয়েক বছর আগে ‘ভগ্নপ্রায় ব্রিজ’ নোটিস লিখে প্রশাসন নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিল। স্থানীয়রাই উদ্যোগ নিয়ে বেশ কয়েকবার দু’দিকে বাঁশ দিয়ে রেলিং দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজ দিয়েই গত বছর ২১ জানুয়ারি রাত পর্যন্ত স্থানীয়রা যাতায়াত করেছেন। কিন্তু পরদিন ব্রিজের মাঝখানটি ভেঙে বসে যায়। ফলে ওই ব্রিজের দু’দিকের বাসিন্দাদের বেশ কিছুটা দূরে চাঁইপাট কিংবা গোপীগঞ্জ হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। খালের উপর দিয়ে অবিলম্বে যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন বাসিন্দারা।
চাঁইপাটের বাসিন্দা মলয় জানা, স্বপন মাইতি বলেন, ব্রিজটি অনেক আগেই রুগ্ন হয়ে গিয়েছিল। প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। ফলে নিরুপায় হয়ে ওই ব্রিজ দিয়েই যাতায়াত করতে হতো। স্থানীয়রা বলেন, ব্রিজটি না সংস্কার করে বেশ কয়েক বছর আগে ‘ভগ্নপ্রায় ব্রিজ’ নোটিস লিখে প্রশাসন নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিল। স্থানীয়রাই উদ্যোগ নিয়ে বেশ কয়েকবার দু’দিকে বাঁশ দিয়ে রেলিং দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজ দিয়েই গত বছর ২১ জানুয়ারি রাত পর্যন্ত স্থানীয়রা যাতায়াত করেছেন। কিন্তু পরদিন ব্রিজের মাঝখানটি ভেঙে বসে যায়। ফলে ওই ব্রিজের দু’দিকের বাসিন্দাদের বেশ কিছুটা দূরে চাঁইপাট কিংবা গোপীগঞ্জ হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। খালের উপর দিয়ে অবিলম্বে যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন বাসিন্দারা।



