সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুর্ঘটনা এড়াতে দাসপুর থানার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দু’পাশ দখল করে রাখা নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে দিচ্ছে পুলিস। রবিবার সকাল থেকে দাসপুর থানার ওসি অঞ্জনিকুমার তেওয়ারি পুলিসবাহিনী নিয়ে ওই নির্মাণসামগ্রী সরানোর কাজ তদারকি করেন। পুলিস জানিয়েছে, এধরনের অভিযান নিয়মিত চলে। তবে সোমবার থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় রবিবার ফের অভিযান চালিয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দেওয়া হল।
Advertisement
ঘাটাল মহকুমায় কোনও রেলপথ নেই। তাই ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তাই এই মহকুমা সহ আশপাশের এলাকার একমাত্র ভরসা। এটি ঘাটাল-পাঁশকুড়া রাস্তার অংশ। ২০২০ সালের ১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবহণ মন্ত্রক রাজ্যের আরও কয়েকটি রাস্তার সঙ্গে ঘাটাল-পাঁশকুড়া সড়ক সম্প্রসারণ ও সংস্কারে উদ্যোগী হয়। চারবছর ধরে সম্প্রসারণের কাজ চলে। একবছর আগে ওই রাস্তাকে দু’লেনের করার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু, রাস্তা সম্প্রসারণ শেষ হতে না হতেই তার দু’ধারে নির্মাণসামগ্রী রেখে দখল শুরু হয়ে। তার জেরে রাস্তাটি ক্রমশ সরু হয়ে পড়ে। দাসপুরের আরও কিছু রাস্তার একই হাল হয়েছিল।
ঘাটাল মহকুমা বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মোহন বাগ, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিবহণ যাত্রী কমিটির কর্মকতা তপন জানা বলেন, এমনিতে রাস্তা চওড়া ও মসৃণ হওয়ায় প্রতিটি গাড়ির গতিবেগ বেড়েছে। তার উপর রাস্তার দু’দিকের সার্ভিস রোড ক্রমশ দখল হয়ে গিয়েছে। ফলে প্রায় প্রতিদিন ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত একবছরেই বহু মানুষ মারা গিয়েছেন।
এদিন পুলিসের উদ্যোগ ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কিছু মানুষ এদিনের পুলিসের কাজে খুশি হয়েছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষের অভিযোগ, ঘাটাল মহকুমার রাস্তা দিয়ে পুলিসের গাড়ি যাতায়াত করে। অনেকসময় পুলিসের চোখের সামনেই রাস্তায় নির্মাণসামগ্রী ফেলা হয়। পুলিস দেখেও কোনও ব্যবস্থা নেয় না। নির্মাণসামগ্রী ফেলার সঙ্গে সঙ্গে পুলিস ব্যবস্থা নিলে এভাবে রাস্তা দখল করা বন্ধ হয়ে যেত। মাঝেমধ্যে একদিনের অভিযান চালালে কাজের কাজ কিছু হবে না।
ঘাটাল মহকুমা বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মোহন বাগ, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিবহণ যাত্রী কমিটির কর্মকতা তপন জানা বলেন, এমনিতে রাস্তা চওড়া ও মসৃণ হওয়ায় প্রতিটি গাড়ির গতিবেগ বেড়েছে। তার উপর রাস্তার দু’দিকের সার্ভিস রোড ক্রমশ দখল হয়ে গিয়েছে। ফলে প্রায় প্রতিদিন ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত একবছরেই বহু মানুষ মারা গিয়েছেন।
এদিন পুলিসের উদ্যোগ ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কিছু মানুষ এদিনের পুলিসের কাজে খুশি হয়েছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষের অভিযোগ, ঘাটাল মহকুমার রাস্তা দিয়ে পুলিসের গাড়ি যাতায়াত করে। অনেকসময় পুলিসের চোখের সামনেই রাস্তায় নির্মাণসামগ্রী ফেলা হয়। পুলিস দেখেও কোনও ব্যবস্থা নেয় না। নির্মাণসামগ্রী ফেলার সঙ্গে সঙ্গে পুলিস ব্যবস্থা নিলে এভাবে রাস্তা দখল করা বন্ধ হয়ে যেত। মাঝেমধ্যে একদিনের অভিযান চালালে কাজের কাজ কিছু হবে না।



