সংবাদদাতা, ঘাটাল: সেচদপ্তরের জায়গার উপর পার্টি অফিস তৈরি করছিল সিপিএম। এলাকার বাসিন্দা ও তৃণমূল এনিয়ে আপত্তি তোলে। অবশেষে ওই নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিল প্রশাসন। দাসপুর-২ ব্লকের রানিচকে এঘটনায় সিপিএম নেতৃত্ব অস্বস্তিতে পড়েছে।
Advertisement
ঘাটাল মহকুমা প্রশাসনের এক ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জানান, রানিচকে সেচদপ্তরের জমিতে একটি নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। মহকুমা প্রশাসনের তরফে তা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রানিচকের সিপিএম নেতা অন্নদাশঙ্কর মণ্ডল বলেন, প্রায় ৪০-৫০ বছর ধরে রূপনারায়ণ নদের উপর আমাদের একটি কার্যালয় রয়েছে। গত বর্ষায় সেই বাড়িটির অনেকটা ক্ষতি হয়েছে। তাই আমরা সেই জায়গাতেই ইট-সিমেন্ট-বালি দিয়ে নির্মাণ করছিলাম। নতুন করে কোনও জায়গা দখল করিনি। শাসকদলের কিছু নেতা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছিল। সেজন্যই প্রশাসন ওই নির্দেশ দিয়েছে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পূর্ব প্রান্তে রূপনারায়ণ নদের বাঁধের কাছে রানিচক গঞ্জটি রয়েছে। সেই বাঁধের উপর নভেম্বর মাসে সিপিএমের আঞ্চলিক কার্যালয়টি তৈরির কাজ জোরকদমে শুরু হয়। এলাকার বাসিন্দারা বাঁধ দখল করে নির্মাণকাজের বিষয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, স্থানীয় সিপিএম নেতারা তাতে আমল দেয়নি।
তৃণমূলের দাসপুর-২ ব্লক সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন পাল বলেন, জোর করেই বাঁধের বেশ কিছুটা দখল করে সিপিএম বেআইনি নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছিল। এতে বাঁধের ক্ষতি হতো। নিষেধ করলেও শুনছে না।
সেচদপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, বাঁধের উপর নির্মাণকাজ করলে বন্যার সময় বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণে সমস্যা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাড়ির ভিতের নীচে অবাঞ্ছিত গর্ত তৈরি হয়। সেই গর্তই পরে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। রূপনায়ারণের বাঁধের উপর বাড়ি ও অন্য নির্মাণ থাকায় গত বর্ষাতেও সেচদপ্তরকে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। বর্ষায় ওই এলাকায় বাঁধের উপর বহু বাড়ি ভেঙেও গিয়েছে।
তবে প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সিপিএম। দলের নেতারা জানান, ওই বাঁধের উপর সারিবদ্ধভাবে আরও অনেক দোতলা, তিনতলা বাড়ি আছে। অনেকে জায়গা দখল করে দোকান দিয়েছেন। সিপিএমের অভিযোগ, তাদের কার্যালয় গড়া নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তৃণমূল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ওই কার্যালয় তৈরি বন্ধ করে দিতে উঠেপড়ে লেগেছে।
তৃণমূল নেতা তথা দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ দর্পণ মাইতি বলেন, আসলে স্লুইস গেটের পাশেই সিপিএম নির্মাণকাজ করছিল। এর ফলে নদীর জলের চাপ বাড়লে বাঁধের বড় ক্ষতি হতে পারে। শুধু সেজন্যই আমরা আপত্তি জানিয়েছি।
রানিচকের সিপিএম নেতা অন্নদাশঙ্কর মণ্ডল বলেন, প্রায় ৪০-৫০ বছর ধরে রূপনারায়ণ নদের উপর আমাদের একটি কার্যালয় রয়েছে। গত বর্ষায় সেই বাড়িটির অনেকটা ক্ষতি হয়েছে। তাই আমরা সেই জায়গাতেই ইট-সিমেন্ট-বালি দিয়ে নির্মাণ করছিলাম। নতুন করে কোনও জায়গা দখল করিনি। শাসকদলের কিছু নেতা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছিল। সেজন্যই প্রশাসন ওই নির্দেশ দিয়েছে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পূর্ব প্রান্তে রূপনারায়ণ নদের বাঁধের কাছে রানিচক গঞ্জটি রয়েছে। সেই বাঁধের উপর নভেম্বর মাসে সিপিএমের আঞ্চলিক কার্যালয়টি তৈরির কাজ জোরকদমে শুরু হয়। এলাকার বাসিন্দারা বাঁধ দখল করে নির্মাণকাজের বিষয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, স্থানীয় সিপিএম নেতারা তাতে আমল দেয়নি।
তৃণমূলের দাসপুর-২ ব্লক সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন পাল বলেন, জোর করেই বাঁধের বেশ কিছুটা দখল করে সিপিএম বেআইনি নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছিল। এতে বাঁধের ক্ষতি হতো। নিষেধ করলেও শুনছে না।
সেচদপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, বাঁধের উপর নির্মাণকাজ করলে বন্যার সময় বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণে সমস্যা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাড়ির ভিতের নীচে অবাঞ্ছিত গর্ত তৈরি হয়। সেই গর্তই পরে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। রূপনায়ারণের বাঁধের উপর বাড়ি ও অন্য নির্মাণ থাকায় গত বর্ষাতেও সেচদপ্তরকে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। বর্ষায় ওই এলাকায় বাঁধের উপর বহু বাড়ি ভেঙেও গিয়েছে।
তবে প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সিপিএম। দলের নেতারা জানান, ওই বাঁধের উপর সারিবদ্ধভাবে আরও অনেক দোতলা, তিনতলা বাড়ি আছে। অনেকে জায়গা দখল করে দোকান দিয়েছেন। সিপিএমের অভিযোগ, তাদের কার্যালয় গড়া নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তৃণমূল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ওই কার্যালয় তৈরি বন্ধ করে দিতে উঠেপড়ে লেগেছে।
তৃণমূল নেতা তথা দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ দর্পণ মাইতি বলেন, আসলে স্লুইস গেটের পাশেই সিপিএম নির্মাণকাজ করছিল। এর ফলে নদীর জলের চাপ বাড়লে বাঁধের বড় ক্ষতি হতে পারে। শুধু সেজন্যই আমরা আপত্তি জানিয়েছি।



