সংবাদদাতা, ঘাটাল: শুক্রবার দাসপুর থানার বৈকুণ্ঠপুরে একটি মাছের একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে ধাক্কা দিল। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন দোকানের মালিক ও ক্রেতারা। বারবার পূর্ব মেদিনীপুর থেকে আসা মাছ ভর্তি গাড়ি প্রায়ই দুর্ঘটনায় পড়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তাই এদিনের দুর্ঘটনার পর মাছের গাড়িগুলির গতি নিয়ন্ত্রণের দাবি তুললেন তাঁরা। অভিযোগ, বেপরোয়াভাবে গাড়িগুলি যাতায়াত করে বলেই এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। ট্রাফিক পুলিস সূত্রে জানানো হয়েছে, শুধু মাছের গাড়ি কেন, প্রত্যেকটি গাড়ির গতিবেগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়েই তাদের নজর রয়েছে। নির্দিষ্ট গতির বাইরে কোনও গাড়ি যাতায়াত করলেই তাদের উপর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ নেওয়া হয়।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রত্যেক দিন বহু মাছের গাড়ি ঘাটাল মহকুমার উপর দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যায়। মাছ বাঁচিয়ে রাখতে গাড়িগুলিতে জল ভর্তি থাকে। বাজারে মাছের আড়তগুলিতে সেই গাড়ি থেকে জ্যান্ত মাছ বিক্রির জন্য দেওয়া হয়। ঘাটাল মহকুমায় ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তায় প্রায়ই মাছের গাড়িগুলি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে অভিযোগ। কখনও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইক, টোটো, সাইকেলকে ধাক্কা মারছে। অনেক সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে অনেকটা দূরে থাকা দোকানে ধাক্কা মারছে। কখনও মাঠে বা নয়ানজুলিতে গিয়ে উল্টে যাচ্ছে। বিগত এক বছরে মাছের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গিয়েছে দু’জনের। জখম হয়েছেন বহু।
এদিন একটি মাছের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈকুণ্ঠপুরে রাস্তা থেকে অন্তত ৫০ ফুট দূরে একটি দোকানে গিয়ে ধাক্কা মারে। দোকানের সামনের একটি চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সন্ধ্যা মণ্ডল বলেন, ‘চালাটি না থাকলে দোকানে থাকা সকলেরই অকালে প্রাণ চলে যেত।’ এদিন অবশ্য হতাহত কেউ হননি। গাড়ির মধ্যে থাকা চালক সহ তিনজনই দুর্ঘটনার পর এলাকা থেকে পালিয়ে যান। পুলিস গাড়িটি আটক করেছে। বেশ কয়েকটি কারণের জন্য ওই গাড়িগুলি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে বলে ট্রাফিক পুলিস অনুমান করছে। অনেক রাত থেকে উঠে চালকরা গাড়িগুলি চালান। ফলে চালকদের অনেক সময় ঘুমের ঘাটতি থাকে। গাড়ি চালানোর সময় তাদের ঘুমে চোখ বুজে যাওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে। কারণ, মাছের গাড়িগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর তাড়া থাকে। সেই তাগিদেও চালকদের একটু বেশি গতিতেই গাড়ি চালাতে হয়।
দাসপুর গঞ্জের বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক দিব্যেন্দু মাইতি, গৌরার বাসিন্দা কালিপদ জানা বলেন, ‘ওই সমস্ত কারণ জেনে সাধারণ মানুষের লাভ নেই। মাছের গাড়ির বেপরোয়া যাতায়াতের জন্য ভয়ে সকালে অনেকে রাস্তায় বেরতে ভয় পায়। একজন মাছ ব্যবসায়ীর লাভ-ক্ষতির জন্য সাধারণ মানুষের জীবন যাবে, এটা কোনও ভাবে মেনে নেওয়া যায় না। পুলিস এনিয়ে যদি সক্রিয় না হলে আমাদের আন্দোলনে নেমে রাস্তা দিয়ে মাছের গাড়ি যাতায়াত বন্ধ করে দিতে হবে।’
এদিন একটি মাছের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈকুণ্ঠপুরে রাস্তা থেকে অন্তত ৫০ ফুট দূরে একটি দোকানে গিয়ে ধাক্কা মারে। দোকানের সামনের একটি চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সন্ধ্যা মণ্ডল বলেন, ‘চালাটি না থাকলে দোকানে থাকা সকলেরই অকালে প্রাণ চলে যেত।’ এদিন অবশ্য হতাহত কেউ হননি। গাড়ির মধ্যে থাকা চালক সহ তিনজনই দুর্ঘটনার পর এলাকা থেকে পালিয়ে যান। পুলিস গাড়িটি আটক করেছে। বেশ কয়েকটি কারণের জন্য ওই গাড়িগুলি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে বলে ট্রাফিক পুলিস অনুমান করছে। অনেক রাত থেকে উঠে চালকরা গাড়িগুলি চালান। ফলে চালকদের অনেক সময় ঘুমের ঘাটতি থাকে। গাড়ি চালানোর সময় তাদের ঘুমে চোখ বুজে যাওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে। কারণ, মাছের গাড়িগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর তাড়া থাকে। সেই তাগিদেও চালকদের একটু বেশি গতিতেই গাড়ি চালাতে হয়।
দাসপুর গঞ্জের বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক দিব্যেন্দু মাইতি, গৌরার বাসিন্দা কালিপদ জানা বলেন, ‘ওই সমস্ত কারণ জেনে সাধারণ মানুষের লাভ নেই। মাছের গাড়ির বেপরোয়া যাতায়াতের জন্য ভয়ে সকালে অনেকে রাস্তায় বেরতে ভয় পায়। একজন মাছ ব্যবসায়ীর লাভ-ক্ষতির জন্য সাধারণ মানুষের জীবন যাবে, এটা কোনও ভাবে মেনে নেওয়া যায় না। পুলিস এনিয়ে যদি সক্রিয় না হলে আমাদের আন্দোলনে নেমে রাস্তা দিয়ে মাছের গাড়ি যাতায়াত বন্ধ করে দিতে হবে।’



