সংবাদদাতা, ঘাটাল: শনিবার রাতে দাসপুর থানার বাসুদেবপুরে বসতবাড়িতে রহস্যজনকভাবে আগুন লাগে। বাড়িটি ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। পরে দমকলবাহিনী গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। পরিবারের প্রধান জয়প্রকাশ চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ হলে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হবে।
Advertisement
পবিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত ১১টা নাগাদ বাড়িতে জয়প্রকাশবাবুর দুই মেয়ে পড়াশোনা করছিলেন। এক মেয়ে বলেন, আচমকা পোড়া গন্ধ পাই। সেইসঙ্গে ধোঁয়া আসতে শুরু করে। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দিইনি। মনে করেছিলাম, বাড়ির কাছে কেউ হয়তো মশা মারার জন্য ধোঁয়া দিয়েছে। তারপর দেখতে পাই, আমাদেরই বাড়ির একাংশ দাউদাউ করে জ্বলছে। মা-বাবাকে ঘুম থেকে তুলে আমরা দুই বোন চিৎকার করতে করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ি। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল কয়েক মিনিটের মধ্যে বাড়ির চারদিক জ্বলতে শুরু করে।
জয়প্রকাশবাবু বলেন, আমরা বাড়ি থেকে কিছুই বের করতে পারিনি। কয়েকদিন পর দুই মেয়ের বাৎসরিক পরীক্ষা। ওদের বইখাতা পর্যন্ত আগুনে পুড়ে গিয়েছে। একটি পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। আমাদের অনুমান, ওই পরিবারই আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কারণ আমাদের বাড়িতে রান্নাঘর থেকে বা শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লাগার কোনও আশঙ্কা নেই। অন্যান্য প্রতিবেশীরা জানান, প্রথমে তাঁরাই আগুন নেভানোর কাজে হাত দেন। পরে দমকল বাহিনী এসে পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করা গেলেও বড় অংশ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। জয়প্রকাশবাবুর পরিবার পাশের মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছে। কীভাবে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটল তা এখনও জানা যায়নি। প্রতিবেশীদেরও সন্দেহ, এটি শত্রুতার ফল হতে পারে। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
জয়প্রকাশবাবু বলেন, আমরা বাড়ি থেকে কিছুই বের করতে পারিনি। কয়েকদিন পর দুই মেয়ের বাৎসরিক পরীক্ষা। ওদের বইখাতা পর্যন্ত আগুনে পুড়ে গিয়েছে। একটি পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। আমাদের অনুমান, ওই পরিবারই আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কারণ আমাদের বাড়িতে রান্নাঘর থেকে বা শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লাগার কোনও আশঙ্কা নেই। অন্যান্য প্রতিবেশীরা জানান, প্রথমে তাঁরাই আগুন নেভানোর কাজে হাত দেন। পরে দমকল বাহিনী এসে পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করা গেলেও বড় অংশ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। জয়প্রকাশবাবুর পরিবার পাশের মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছে। কীভাবে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটল তা এখনও জানা যায়নি। প্রতিবেশীদেরও সন্দেহ, এটি শত্রুতার ফল হতে পারে। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।



