নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই সোয়াদিঘি, পায়রাটুঙ্গি ও গঙ্গাখালির অবশিষ্ট অংশের খননকাজ শুরু হচ্ছে। মঙ্গলবার জেলাশাসক অফিসে তমলুক মহকুমার চার ব্লকে মোট ১৩টি খাল খনন নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠক হয়। সেখানে সভাধিপতি উত্তম বারিক, জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী ছাড়াও তিন অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক ও চার বিডিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সেচদপ্তর, মিনারেল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রেডিং কর্পোরেশন এবং ঠিকাদার এজেন্সির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১৩টি নিকাশি খাল ও ক্যানালের সার্ভে হয়েছে। খননকাজের আগে প্রতিটি খালে বিভিন্ন পয়েন্টে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে জল তুলে কাজ শুরু হবে। এজন্য রবি মরশুমে ওইসব খাল থেকে এবার জল পাওয়া যাবে না।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সোয়াদিঘি, পায়রাটুঙ্গি, গঙ্গাখালি, দেহাটি, দেনান, মির্জাপুর, জয়গোপাল, টোপা, দেয়ান, কামিনা, জঁফুলি, ৪এ ও ৪বি ক্যানালের খননকাজ করা হবে। মিনারেল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রেডিং কর্পোরেশন খাল সংস্কারের টেন্ডার ডেকেছিল। ঠিকাদার সংস্থা খালের মাটি ও বালি বিক্রি করবে। রাজস্ব বাবদ সরকারি কোষাগারে বেশকিছু টাকা জমা পড়বে। এর আগে গত ২৯অক্টোবর জেলাশাসক অফিসে এনিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল। তারপর মঙ্গলবার আবারও এনিয়ে মিটিং হয়। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই তিনটি খাল খনন শুরু হবে। তবে, সেচদপ্তর এই খননকাজে মনিটরিং করবে।



