Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডিসেম্বরে টেলিমেডিসিন পরিষেবায় রাজ্যে দ্বিতীয় পশ্চিম মেদিনীপুর

ডিসেম্বরে টেলিমেডিসিন পরিষেবায় রাজ্যে দ্বিতীয় পশ্চিম মেদিনীপুর
  • ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: টেলিমেডিসিন পরিষেবায় ডিসেম্বর মাসের কাজের নিরিখে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে চালু এই প্রকল্পে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে পরিষেবা দেওয়া হয়। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, এর ফলে জেলা, মহকুমা ও ব্লকস্তরের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীর চাপ অনেকটাই কমানো গিয়েছে। কারণ এখন সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে নানাধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। সেখান থেকে ওষুধও দেওয়া হয়।
Advertisement
স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি এবার শহরেও সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। জেলার শহরাঞ্চলে প্রায় ৫০টি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কাজ চলছে।
সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গি বলেন, জেলার সমস্ত উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে উন্নীত করা হচ্ছে। ৮৬৮টি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৬৪৩টিকে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে উন্নীত করা গিয়েছে। বাকিগুলির কাজ চলছে। পাঁচটির ক্ষেত্রে অবশ্য জমির সংস্থান নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে সেখানে কাজ করা যাচ্ছে না।
এখন বিভিন্ন সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী চিকিৎসা, শিশুদের পুষ্টি, নাক-কান-গলা, দাঁত, ব্লাড সুগার, প্রেশার, গ্যাসের সমস্যার চিকিৎসা হচ্ছে। এমনকী, ক্যানসার চিহ্নিতকরণও এখানেই সম্ভব হচ্ছে। প্রতিদিনই বহু রোগী এসমস্ত সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে চিকিৎসা পরিষেবা নিচ্ছেন। তাঁদের আর কথায় কথায় বড় হাসপাতালে যেতে হচ্ছে না। জেলার এক বাসিন্দা সমরেশ দাস বলেন, এই পরিষেবায় আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি।
সিএমওএইচ বলেন, ২০২৩সালে এ঩জেলায় টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে ১১ লক্ষ ৩৪ হাজার মানুষ স্বাস্থ্য পরিষেবা পেয়েছেন। গতবছর ডিসেম্বর মাসের কাজের নিরিখে আমাদের জেলা রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছে। সারা বছরের কাজের নিরিখেও আমাদের জেলা অনেক ভালো জায়গায় আছে। 
তিনি বলেন, সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কমিউনিটি হেলথ অফিসাররা টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা করে দিচ্ছেন। তাঁরা জেলা  ও রাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে  সংশ্লিষ্ট রোগীর ভিডিও কলিংয়ে যোগাযোগ করে দেন। চিকিৎসকরা রোগীর সঙ্গে কথা বলে প্রেসক্রিপশন দেন। সেই প্রেসক্রিপশন অনলাইনে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে চলে আসে। যাঁদের ক্ষেত্রে এখানে চিকিৎসা সম্ভব নয়, তাঁদের বড় হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
সম্পর্কিত সংবাদ