নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: কোথাও তারের জাল। কোথাও আবার রাস্তার পাশে জমে রয়েছে আবর্জনা। কোথাও বা মুখ ঢেকে যাচ্ছে বিজ্ঞাপনে। নদীতে ভাসছে থার্মোকলের বাক্স। সঙ্গে টোটোর দাপট। বেআইনি পার্কিং। সবমিলিয়ে তিস্তাপাড়ের শহর জলপাইগুড়িতে চরম দৃশ্যদূষণ। এনিয়ে পুরসভাকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ জেলা প্রশাসনের।
Advertisement
বাসিন্দাদের অভিযোগ, জলপাইগুড়ি শহরের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রয়েছে, দৃশ্যদূষণের কারণে তা ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। বাইরে থেকে কেউ এই শহরে এখন বেড়াতে এলে, তাঁর কাছে জলপাইগুড়ি কার্যত ‘অপরিচ্ছন্ন শহর’ হিসেবে ধরা দেবে। এনিয়ে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত। শহরে যে নানা কারণে দৃশ্যদূষণ হচ্ছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র। যদিও তাঁর দাবি, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে পুরসভা ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, জলপাইগুড়ি শহর সাজাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়াগায় স্থাপত্য ও ভাস্কর্য বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু তার আগে শহরের দৃশ্যদূষণ কমানোই অন্যতম লক্ষ্য তাদের।
শহরজুড়ে কেবলের তারের জাল নিয়ে মারাত্মক ক্ষুব্ধ প্রশাসন। কোথাও তার রাস্তার উপর ঝুলে রয়েছে। কোথাও আবার জাল হয়ে রয়েছে। এটা শুধু শহরের দৃশ্যদূষণ ঘটাচ্ছে না, বিপদের শঙ্কাও তৈরি করছে বলে মনে করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) ধীমান বাড়ুই। দিন কয়েক আগেই শহরের কেবল অপারেটরদের নিয়ে বৈঠকও করেছেন তিনি। সেখানে প্রশাসনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই সবটা গুছিয়ে ফেলতে হবে। রাস্তায় কোথাও যেন তার ঝোলা অবস্থায় কিংবা তারের জাল না থাকে। সময়ের মধ্যে এব্যাপারে কেবল অপারেটররা উদ্যোগ না নিলে পদক্ষেপ করবে প্রশাসন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার। তাঁকে বিষয়টি মনিটরিং করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, শহরে বেআইনি পার্কিং নিয়ে পথে নেমেছেন খোদ মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। দিন কয়েক আগে তিনি পুরসভা ও ট্রাফিক পুলিসকে নিয়ে শহরের কদমতলা এলাকায় অভিযান চালান। বেআইনি পার্কিং চিহ্নিত করার পাশাপাশি কোথায় কোথায় পার্কিংজোন তৈরি করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হয়। এব্যাপারে দ্রুত পুরসভাকে জায়গা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। মহকুমা শাসক বলেন, শহরে যাতে দৃশ্যদূষণ কম হয়, শহর যাতে পরিচ্ছন্ন থাকে, সেব্যাপারে পুরসভাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। প্রশাসনও রাস্তায় নেমে কাজ করছে।
শহরজুড়ে কেবলের তারের জাল নিয়ে মারাত্মক ক্ষুব্ধ প্রশাসন। কোথাও তার রাস্তার উপর ঝুলে রয়েছে। কোথাও আবার জাল হয়ে রয়েছে। এটা শুধু শহরের দৃশ্যদূষণ ঘটাচ্ছে না, বিপদের শঙ্কাও তৈরি করছে বলে মনে করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) ধীমান বাড়ুই। দিন কয়েক আগেই শহরের কেবল অপারেটরদের নিয়ে বৈঠকও করেছেন তিনি। সেখানে প্রশাসনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই সবটা গুছিয়ে ফেলতে হবে। রাস্তায় কোথাও যেন তার ঝোলা অবস্থায় কিংবা তারের জাল না থাকে। সময়ের মধ্যে এব্যাপারে কেবল অপারেটররা উদ্যোগ না নিলে পদক্ষেপ করবে প্রশাসন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার। তাঁকে বিষয়টি মনিটরিং করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, শহরে বেআইনি পার্কিং নিয়ে পথে নেমেছেন খোদ মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। দিন কয়েক আগে তিনি পুরসভা ও ট্রাফিক পুলিসকে নিয়ে শহরের কদমতলা এলাকায় অভিযান চালান। বেআইনি পার্কিং চিহ্নিত করার পাশাপাশি কোথায় কোথায় পার্কিংজোন তৈরি করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হয়। এব্যাপারে দ্রুত পুরসভাকে জায়গা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। মহকুমা শাসক বলেন, শহরে যাতে দৃশ্যদূষণ কম হয়, শহর যাতে পরিচ্ছন্ন থাকে, সেব্যাপারে পুরসভাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। প্রশাসনও রাস্তায় নেমে কাজ করছে।



