নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দেশের সব জেলা হাসপাতালে হবে ‘ডে কেয়ার ক্যান্সার সেন্টার।’ শনিবার লোকসভায় বাজেট বক্তৃতায় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আগামী তিন বছরে এই কাজ সম্পন্ন হবে। তার মধ্যে আগামী অর্থবর্ষ (২০২৫-২৬) গড়া হবে ২০০টি সেন্টার। মেডিক্যাল শিক্ষাতেও বাড়ানো হবে আসন। আগামী পাঁচ বছরে ইউজি এবং পিজি মেডিক্যাল কোর্সে ৭৫ হাজার বাড়তি আসন তৈরি করা হবে।
Advertisement
এরই পাশাপাশি রোগীর সুরাহায় উদ্যোগ নেওয়া হল। ঘোষণা হল, ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধের বেসিক কাস্টম ডিউটি তুলে দেওয়া হল। পাশাপাশি কমিয়ে দেওয়া হল ছটি জীবনদায়ী ওষুধের কাস্টমস ডিউটি। করা হল ৫ শতাংশ। পাশাপাশি ওষুধ প্রস্তুতকারক বিভিন্ন কোম্পানি যে ‘পেশেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগাম’ চালায়, তাদের জন্য বেসিক কাস্টমস ডিউটি মকুব করে দেওয়া হচ্ছে বলে ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। এই সিদ্ধান্তের কারণ, যাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ওষুধ পান রোগীরা। এই প্রকল্পে আরও নতুন ১৩টি ওষুধকেও যুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় (পিএমজয়) গতবারের চেয়ে ২ হাজার ১০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। হয়েছে ৯ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সুরক্ষা যোজনায় বরাদ্দ হয়েছে ৯ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের অধীনেই গড়া হয় নতুন এইমস। গবেষণায় উৎসাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে আইসিএমআরের বরাদ্দ হয়েছে ৩ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। যা গতবারের চেয়ে ৩৯৩ কোটি টাকা বেশি। কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালগুলির জন্য বরাদ্দও গতবারের চেয়ে ২০৭ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৬২১ কোটি টাকা।
ভারত নেট প্রকল্পে গ্রামের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ব্রডব্যান্ড সংযোগ বাড়ানো হবে বলেও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় গিগ কর্মীদের স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হবে বলেও উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হয়েছে। সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য খাতে এবার বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হল। গতবার যা ছিল ৯০ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা, এবার তা বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি হয়েছে। যা শুনে বাজেট বক্তৃতায় লোকসভায় এদিন নির্মলা সীতারামনের ঠিক পাশে বসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির বিদায়ী সভাপতি জে পি নাড্ডা বাহবায় সমানে টেবিল চাপড়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় (পিএমজয়) গতবারের চেয়ে ২ হাজার ১০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। হয়েছে ৯ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সুরক্ষা যোজনায় বরাদ্দ হয়েছে ৯ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের অধীনেই গড়া হয় নতুন এইমস। গবেষণায় উৎসাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে আইসিএমআরের বরাদ্দ হয়েছে ৩ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। যা গতবারের চেয়ে ৩৯৩ কোটি টাকা বেশি। কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালগুলির জন্য বরাদ্দও গতবারের চেয়ে ২০৭ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৬২১ কোটি টাকা।
ভারত নেট প্রকল্পে গ্রামের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ব্রডব্যান্ড সংযোগ বাড়ানো হবে বলেও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় গিগ কর্মীদের স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হবে বলেও উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হয়েছে। সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য খাতে এবার বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হল। গতবার যা ছিল ৯০ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা, এবার তা বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি হয়েছে। যা শুনে বাজেট বক্তৃতায় লোকসভায় এদিন নির্মলা সীতারামনের ঠিক পাশে বসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির বিদায়ী সভাপতি জে পি নাড্ডা বাহবায় সমানে টেবিল চাপড়েছেন।



