সংবাদদাতা, কাঁথি: জরাজীর্ণ সেতুর উপর দিয়ে যাচ্ছিল ইটবোঝাই মোটরভ্যান। সেই ভারে ভেঙে পড়ল সেতু। মঙ্গলবার দেশপ্রাণ ব্লকের দারিয়াপুর পঞ্চায়েতের দহসোনামুই গ্রামে একটি খালের উপর থাকা পাকা সেতুটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ঘটনায় মোটরভ্যানটি ভেঙে গিয়েছে। সেটির চালক জখম হয়েছেন।
Advertisement
ভ্যানটি ইট নিয়ে সেতু পেরিয়ে দহসোনামুই গ্রামে ঢুকছিল। সেতু ভেঙে পড়ায় ওই গ্রামের সঙ্গে আশপাশের এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মৎস্যজীবী অধ্যুষিত ওই এলাকার বাসিন্দারা খুব সমস্যায় পড়েছেন। স্থানীয়দের অনেকটা রাস্তা ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা অবিলম্বে নতুন করে কংক্রিটের সেতু তৈরির দাবি জানিয়েছেন।
এদিন উত্তর কাঁথির বিধায়ক সুমিতা সিনহা ভেঙে পড়া সেতুটি পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, তাড়াতাড়ি কংক্রিটের সেতু তৈরির জন্য আমরা সেচদপ্তর সহ প্রশাসনিক মহলে জানিয়েছি। বিধায়ক হিসেবে এবিষয়ে কতদূর কী করা যায়, সেটাও দেখছি।
সেচদপ্তরের তৈরি সেতুটি কয়েকদশকের পুরনো। অনেকদিন ধরেই সেটি জরাজীর্ণ দশায় ছিল। এই সেতু দিয়ে দহসোনামুই তো বটেই, পাশের সুবর্ণনগর, ছোট সুবর্ণনগর, নানকার-বামুনিয়া, শিকদারচক, কৃষ্ণলালচক সহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। রবিবার ও বুধবার দহসোনামুই গ্রামের মাঠে বাজার বসে। বহু মানুষ এই বাজারে বেচাকেনা করতে আসেন। দহসোনামুই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা পড়তে আসে। স্থানীয় পেটুয়াঘাট মৎস্যবন্দর সহ অন্য মৎস্য আহরণকেন্দ্রে বহু মানুষ আসা-যাওয়া করেন। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় তাঁদের সবারই দুর্ভোগ বাড়ল।
এলাকার বাসিন্দা প্রেমনাথ বর্মন বলেন, গ্রামের মানুষ অনেকদিন ধরেই সেতুটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেতুটি ভেঙে পড়ায় আমাদের খুব অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এখন গ্রামের শেষপ্রান্তে থাকা কাঠের সেতু দিয়ে সবাইকে ঘুরে আসতে হচ্ছে।
বিডিও শুভাশিস মজুমদার বলেন, আগেই জীর্ণ সেতুটি মেরামতের জন্য স্কিম তৈরি করে সেচদপ্তরের কাছে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু অনুমোদন মেলেনি। সেতুটি ভেঙে পড়ার পর আমরা সেচদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা বলেছে, আপাতত খালের উপর ভাঙা সেতুর পাশে একটি কাঠের সেতু করে দেওয়া হবে। কয়েকমাসের মধ্যে নতুন কংক্রিটের সেতু তৈরি শুরু হবে।
এদিন উত্তর কাঁথির বিধায়ক সুমিতা সিনহা ভেঙে পড়া সেতুটি পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, তাড়াতাড়ি কংক্রিটের সেতু তৈরির জন্য আমরা সেচদপ্তর সহ প্রশাসনিক মহলে জানিয়েছি। বিধায়ক হিসেবে এবিষয়ে কতদূর কী করা যায়, সেটাও দেখছি।
সেচদপ্তরের তৈরি সেতুটি কয়েকদশকের পুরনো। অনেকদিন ধরেই সেটি জরাজীর্ণ দশায় ছিল। এই সেতু দিয়ে দহসোনামুই তো বটেই, পাশের সুবর্ণনগর, ছোট সুবর্ণনগর, নানকার-বামুনিয়া, শিকদারচক, কৃষ্ণলালচক সহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। রবিবার ও বুধবার দহসোনামুই গ্রামের মাঠে বাজার বসে। বহু মানুষ এই বাজারে বেচাকেনা করতে আসেন। দহসোনামুই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা পড়তে আসে। স্থানীয় পেটুয়াঘাট মৎস্যবন্দর সহ অন্য মৎস্য আহরণকেন্দ্রে বহু মানুষ আসা-যাওয়া করেন। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় তাঁদের সবারই দুর্ভোগ বাড়ল।
এলাকার বাসিন্দা প্রেমনাথ বর্মন বলেন, গ্রামের মানুষ অনেকদিন ধরেই সেতুটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেতুটি ভেঙে পড়ায় আমাদের খুব অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এখন গ্রামের শেষপ্রান্তে থাকা কাঠের সেতু দিয়ে সবাইকে ঘুরে আসতে হচ্ছে।
বিডিও শুভাশিস মজুমদার বলেন, আগেই জীর্ণ সেতুটি মেরামতের জন্য স্কিম তৈরি করে সেচদপ্তরের কাছে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু অনুমোদন মেলেনি। সেতুটি ভেঙে পড়ার পর আমরা সেচদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা বলেছে, আপাতত খালের উপর ভাঙা সেতুর পাশে একটি কাঠের সেতু করে দেওয়া হবে। কয়েকমাসের মধ্যে নতুন কংক্রিটের সেতু তৈরি শুরু হবে।



