সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ফুটপাতে ‘ফুট’ ফেলার জায়গা নেই! জায়গা দখল করে নিয়েছে বাইক এবং স্থায়ী দোকানের বাড়তি অংশ। ফুটপাত ছেড়ে রাস্তা দিয়েই হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন পথচারীরা। যার ফলে দুর্ঘটনাও ঘটছে। রামপুরহাটের ব্যস্ততম দেশবন্ধু রোডে নিত্যদিন ফুটপাত চুরি হলেও হেলদোল নেই পুলিস প্রশাসনের। যার জেরে অসন্তোষ বাড়ছে মানুষের।
Advertisement
রামপুরহাট মহকুমা শহর হলেও রাস্তা অত্যন্ত সংকীর্ণ। এই শহরের ব্যস্ততম রাস্তা বলতে দেশবন্ধু রোড। এই রোডের দু’ধারে অসংখ্য স্থায়ী কাপড়ের দোকান, শপিং মল, রেস্তরাঁ সহ নানা দোকানপাট রয়েছে। ফলে অধিকাংশ সময় এই রাস্তায় লোক গিজগিজ করে। এমনিতেই লাগামহীন কয়েক হাজার টোটোর চলাচলে যানজট এখানে নিত্যদিনের সমস্যা। তার উপরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সারি দিয়ে বাইক পার্ক করা থাকে ফুটপাতের উপর। ফলে হাঁটাচলার পথ প্রায় অবরুদ্ধ। ওই এলাকারই বাসিন্দা বিশেষভাবে সক্ষম এক যুবক বলেন, এভাবে গাড়ি রাখার জন্য হাঁটাচলাই দায়। কষ্ট হলেও রাস্তায় নেমে হাঁটতে হয়।
কোথাও আবার স্থায়ী দোকানের বাড়তি অংশ চলে এসেছে ফুটপাতের উপরে। আবার কোথাও দোকানের সামনে বাইক পার্ক করে জিনিস কিনতে বা রেস্তরাঁয় খাবার খেতে ঢুকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিচ্ছেন। এদিকে যানজটে নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এলাকার ভুক্তভোগী মানুষজন বলছেন, রেস্তরাঁ, শপিং মল ও দোকানগুলি ব্যবসা করছে, অথচ পার্কিংয়ের কোনও ব্যবস্থা করেনি। সরকারি ফুটপাতকে তারা পার্কিং হিসাবে ব্যবহার করছে।
এলাকার বাসিন্দা অমিত পাল বলেন, এই সমস্যা নিয়ে এর আগে পুরসভা ও প্রশাসন একাধিকবার বৈঠকে বসেছে। অবৈধ পার্কিং বা স্থায়ী দোকানের বাড়তি অংশ সরিয়ে নেওয়ার কথাও মাইকে ঘোষণা করা হয়। ব্যাস ওইটুকুই। প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ না করায় মানুষের পথ চলাচলের যন্ত্রণা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এব্যাপারে পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত বলেন, প্রায়ই মাইকিং করে ফুটপাত মুক্ত রাখার জন্য বলা হয়। সরেজমিনেও নামা হয়। খুব শীঘ্রই পুলিসকে নিয়ে ফের রাস্তায় নেমে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হবে। এলাকার মানুষজন অবশ্য বলছেন, মহকুমা শহর হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত এখানে। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও পার্কিংয়ের জায়গা নেই। তাতেই এই সমস্যা বেড়ে চলেছে।
কোথাও আবার স্থায়ী দোকানের বাড়তি অংশ চলে এসেছে ফুটপাতের উপরে। আবার কোথাও দোকানের সামনে বাইক পার্ক করে জিনিস কিনতে বা রেস্তরাঁয় খাবার খেতে ঢুকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিচ্ছেন। এদিকে যানজটে নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এলাকার ভুক্তভোগী মানুষজন বলছেন, রেস্তরাঁ, শপিং মল ও দোকানগুলি ব্যবসা করছে, অথচ পার্কিংয়ের কোনও ব্যবস্থা করেনি। সরকারি ফুটপাতকে তারা পার্কিং হিসাবে ব্যবহার করছে।
এলাকার বাসিন্দা অমিত পাল বলেন, এই সমস্যা নিয়ে এর আগে পুরসভা ও প্রশাসন একাধিকবার বৈঠকে বসেছে। অবৈধ পার্কিং বা স্থায়ী দোকানের বাড়তি অংশ সরিয়ে নেওয়ার কথাও মাইকে ঘোষণা করা হয়। ব্যাস ওইটুকুই। প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ না করায় মানুষের পথ চলাচলের যন্ত্রণা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এব্যাপারে পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত বলেন, প্রায়ই মাইকিং করে ফুটপাত মুক্ত রাখার জন্য বলা হয়। সরেজমিনেও নামা হয়। খুব শীঘ্রই পুলিসকে নিয়ে ফের রাস্তায় নেমে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হবে। এলাকার মানুষজন অবশ্য বলছেন, মহকুমা শহর হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত এখানে। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও পার্কিংয়ের জায়গা নেই। তাতেই এই সমস্যা বেড়ে চলেছে।



