নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: এবার স্টার্টআপে নতুন দিশা দেখাতে প্রস্তুত খড়্গপুর আইআইটি। পৃথিবীখ্যাত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হল স্টার্টআপ অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রাম। যা দেশের মধ্যে প্রথম। শুক্রবার এনিয়ে এক বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গে মউ-স্বাক্ষর করল খড়্গপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ। উপস্থিত ছিলেন খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টর ভিকে তিওয়ারি, খড়্গপুর আইআইটির ডেপুটি ডিরেক্টর রিন্টু বন্দ্যোপাধ্যায় ও কোম্পানির তরফে রাজ শেখর সিং, জ্যোতিকা গুপ্ত, সুদর্শন রবি ঝা প্রমুখ। আইআইটি কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে খুশি পড়ুয়ারা। এক আইআইটি পড়ুয়ার কথায়, এর মাধ্যমে সঠিক দিশা পাবেন ফাইনাল বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। এছাড়াও দেশজুড়ে বাড়বে কর্মসংস্থান। জানা গিয়েছে, খড়্গপুর আইআইটির বহু পড়ুয়া স্টার্টআপের মধ্যে দিয়ে সাফল্য পেয়েছেন। তাঁদের নাম খ্যাতি ছড়িয়েছে বিশ্বব্যাপী।
Advertisement
খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টর বলেন, খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের কোম্পানির সঙ্গে মউ স্বাক্ষর হয়েছে। এটা একটা ইতিহাস তৈরি হল। ছাত্রছাত্রীরা ভালো মেন্টর পাবে। তারা স্টার্টআপ সম্পর্কে জানতেও পারবে। পাশাপাশি এই কোম্পানি বিনিয়োগ করবে স্টার্টআপের জন্য। গোটা রাজ্যবাসীর কাছে যা গর্বের।
জানা গিয়েছে, খড়্গপুর আইআইটির বিটেক, এমটেক, পিএইচডি পড়ুয়াদের অনেকেই স্টার্টআপ নিয়ে নানা পরিকল্পনা করে থাকেন। এই সমস্ত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াবে প্রাক্তনী পড়ুয়াদের কোম্পানি। জানা গিয়েছে, স্টার্টআপ নিয়ে নানা উপদেশ দেওয়ার পাশাপাশি লক্ষাধিক টাকা বিনিয়োগ করবে কোম্পানির সদস্যরা। কোম্পানির তরফে জানানো হচ্ছে, স্টার্টআপের জন্য পড়ুয়াদের তিন সদস্যের দল আবশ্যক। পড়ুয়ারা কোম্পানির কাছে তাঁদের পরিকল্পনা তুলে ধরবে। তাঁদের ধারণাগুলিকে রূপ দিতে সারা বছরব্যাপী পরামর্শদান, কৌশলগত দিক নির্দেশনা ও বিনিয়োগ করবে কোম্পানি। অংশগ্রহণকারীরা কোম্পানির শিল্প অপারেটর, উপদেষ্টাদের নেটওয়ার্ক থেকে উপকৃত হবেন। এছাড়া কোম্পানির সদস্যরা পড়ুয়াদের পরিকাঠামোগত সহায়তাও করবে। একইসঙ্গে খড়্গপুর আইআইটির বাইরের ছাত্রছাত্রীরাও এই কোম্পানির সহযোগিতা পাবেন।
এখন প্রশ্ন স্টার্টআপ ইন্টারপ্রেনিওর কী? জানা গিয়েছে, নিজের কোনও বিজনেস আইডিয়া থেকে নতুন কিছু শুরু করাকেই বলা যেতে পারে স্টার্টআপ। একইসঙ্গে উদ্যোক্তাকে ইংরেজিতে বলা হয় ইন্টারপ্রেনিওর। এক আইআইটি পড়ুয়ার কথায়, অনেকেই স্টার্টআপ করার পরিকল্পনা করলেও দিশা পেতেন না। অনেক প্রতিভাবান পড়ুয়া নতুন জিনিস তৈরি করে স্টার্টআপ করার পরিকল্পনা করেন। তবে তাঁদের মধ্যে অনেকেরই মার্কেটিং সম্পর্কে ধারণাটা না থাকায় ব্যর্থ হতে হতো। এই কোম্পানির সকলেই স্টার্টআপ করে সফল হয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে কাজ করলে অভিজ্ঞতা অর্জন হবে।
খড়্গপুর আইআইটির ডেপুটি ডিরেক্টর রিন্টু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে কোনও স্টার্টআপের ক্ষেত্রে ডেটাবেস ও বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ খুব জরুরি। মউ স্বাক্ষরের ফলে পড়ুয়ার উপকৃত হবে বলে আশা রাখি।
জানা গিয়েছে, খড়্গপুর আইআইটির বিটেক, এমটেক, পিএইচডি পড়ুয়াদের অনেকেই স্টার্টআপ নিয়ে নানা পরিকল্পনা করে থাকেন। এই সমস্ত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াবে প্রাক্তনী পড়ুয়াদের কোম্পানি। জানা গিয়েছে, স্টার্টআপ নিয়ে নানা উপদেশ দেওয়ার পাশাপাশি লক্ষাধিক টাকা বিনিয়োগ করবে কোম্পানির সদস্যরা। কোম্পানির তরফে জানানো হচ্ছে, স্টার্টআপের জন্য পড়ুয়াদের তিন সদস্যের দল আবশ্যক। পড়ুয়ারা কোম্পানির কাছে তাঁদের পরিকল্পনা তুলে ধরবে। তাঁদের ধারণাগুলিকে রূপ দিতে সারা বছরব্যাপী পরামর্শদান, কৌশলগত দিক নির্দেশনা ও বিনিয়োগ করবে কোম্পানি। অংশগ্রহণকারীরা কোম্পানির শিল্প অপারেটর, উপদেষ্টাদের নেটওয়ার্ক থেকে উপকৃত হবেন। এছাড়া কোম্পানির সদস্যরা পড়ুয়াদের পরিকাঠামোগত সহায়তাও করবে। একইসঙ্গে খড়্গপুর আইআইটির বাইরের ছাত্রছাত্রীরাও এই কোম্পানির সহযোগিতা পাবেন।
এখন প্রশ্ন স্টার্টআপ ইন্টারপ্রেনিওর কী? জানা গিয়েছে, নিজের কোনও বিজনেস আইডিয়া থেকে নতুন কিছু শুরু করাকেই বলা যেতে পারে স্টার্টআপ। একইসঙ্গে উদ্যোক্তাকে ইংরেজিতে বলা হয় ইন্টারপ্রেনিওর। এক আইআইটি পড়ুয়ার কথায়, অনেকেই স্টার্টআপ করার পরিকল্পনা করলেও দিশা পেতেন না। অনেক প্রতিভাবান পড়ুয়া নতুন জিনিস তৈরি করে স্টার্টআপ করার পরিকল্পনা করেন। তবে তাঁদের মধ্যে অনেকেরই মার্কেটিং সম্পর্কে ধারণাটা না থাকায় ব্যর্থ হতে হতো। এই কোম্পানির সকলেই স্টার্টআপ করে সফল হয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে কাজ করলে অভিজ্ঞতা অর্জন হবে।
খড়্গপুর আইআইটির ডেপুটি ডিরেক্টর রিন্টু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে কোনও স্টার্টআপের ক্ষেত্রে ডেটাবেস ও বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ খুব জরুরি। মউ স্বাক্ষরের ফলে পড়ুয়ার উপকৃত হবে বলে আশা রাখি।



