সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারোটা পার। মালদহের গাজোল হাতিমারি গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে বসার শেডে কার্যত মন খারাপ করে বসে ছিলেন বিশেষভাবে সক্ষমদের অভিভাবক পার্বতী এবং যশোদা বর্মন। সঙ্গে ছিল তাঁদের ১৪ এবং ১৭ বছরের নাবালক ছেলেরা। ওই হাসপাতাল চত্বরে আরও অনেক বিশেষভাবে সক্ষমদের দু’ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। অভিযোগ, তারপরেও হাসপাতালে বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প শুরু হয়নি। দুপুর বারোটার পর কাজ শুরু হয়। পার্বতী বলেন, আমার বাড়ি হরিদাস গ্রামে। আশা দিদিমণি বলেছিল শংসাপত্রের জন্য এদিন রেজিস্ট্রশন হবে। সকাল ১০ টার আগেই যেন হাতিমারি হাসপাতালে পৌঁছে যাই। সাড়ে ন’টার মধ্যে হাসপাতালে গেলেও ১২ টাতেও কাজ শুরু হয়নি।
Advertisement
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ জানুয়ারি থেকে ওই ব্লকের হাতিমারি গ্রামীণ হাসপাতালে বিশেষভাবে সক্ষমদের শংসাপত্র করে দেওয়ার বিশেষ ক্যাম্প শুরু হবে। ওই দিন মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকেরা আসবেন। তাঁরা পরীক্ষা করে সার্টিফিকেট দেবেন। তার আগে কাজের সুবিধার জন্য রেজিস্ট্রেশন করার কাজ শুরু হয়েছে। এদিন ওই কাজ পরির্দশনে আসেন গাজোলের জয়েন্ট বিডিও মীর সোহেল শেখাওয়াত। তিনি বলেন, ইন্টারনেট সহ অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য কাজ শুরু হতে দেরি হয়েছে। এরপর থেকে দেরি হবে না।



