সংবাদদাতা, বহরমপুর: এবার দেরিতে একসঙ্গে আলু চাষ শুরু হওয়ায় শ্রমিকের আকাল দেখা দিয়েছে। শ্রমিকের দৈনিক মজুরি বেড়ে ইতিমধ্যে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় উঠেছে। তাতেও বহু চাষি শ্রমিকের অভাবে জমি তৈরি করেও মাঠে নামতে পারছেন না। বীরভূম জেলা থেকে বেশি মজুরির টোপ দিয়ে শ্রমিক তুলে আনছেন মুর্শিদাবাদের আলু চাষিরা। অন্যদিকে আমন ধান পেকে মাঠেই পড়ে রয়েছে। শ্রমিকের অভাবে বহু চাষি আলু চাষ শেষ না করে আমন ধান ঘরে তুলতে পারছেন না।
Advertisement
এবার মুর্শিদাবাদে আলু চাষ প্রায় কুড়ি দিন পিছিয়ে গিয়েছে। অন্যান্য বছর দুর্গাপুজো মিটলেই আলুচাষ শুরু হয়ে যায়। এবার নিম্নচাপ আর ঘূর্ণিঝড় ডানার দাপটে চাষিরা আলুর জমি তৈরি করতে পারেননি। তবে সেসময় অনেক চাষি সস্তা দামেই আলুর বীজ ঘরে তুলেছেন। তখন চাষিরা যে বীজ ১৪০০ টাকা প্যাকেটে কিনেছেন, এখন সেই বীজের দাম প্যাকেট প্রতি ৪০০ টাকা বেড়েছে। আলু ব্যবসায়ী সুনীল ঘোষ বলেন, দুর্গাপুজোর মধ্যেই পাঞ্জাবের আলু বীজ মোকামে ঢুকতে শুরু করেছিল। কিন্তু তখন চাষিরা জমি রেডি করতে পারেননি। একের পর এক গাড়ি পাঞ্জাব থেকে ঢুকছে। ব্যবসায়ীদের বীজ রাখার জায়গা ছিল না। বাধ্য হয়ে অনেকে একশো, দু’শো টাকা কমেই আলু বীজ বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। এখন পুষিয়ে যাচ্ছে।
যদিও আগাম চাষের জন্য সস্তায় বীজ ঘরে তুলে বহু চাষি বিপাকেও পড়েছেন। চাষিদের বাড়িতেই বহু বীজ নষ্ট হয়েছে। জমি চাষের উপযোগী হতেই প্রায় একসঙ্গে সব চাষি মাঠে নেমেছেন। আর তাতেই শ্রমিকের আকাল দেখা দিতে শুরু করেছে। পাল্লা দিয়ে শ্রমিকের মজুরি ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে বীজের দাম বাড়লেও চাহিদা বেড়েছে। গোপালনগরের আলু চাষি সুব্রত ঘোষ বলেন, আলু চাষে এমনিতেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। পাকা ধান মাঠে পড়ে রয়েছে। আলু চাষ শেষ করে ধান কাটায় হাত দিতে হবে। ফলে শ্রমিকের মজুরি নিয়ে এখন কেউ দর কষাকষি করছে না। বেলগ্রামের আলু চাষি কাজল শেখ বলেন, গত বছর ডিসেম্বরে মাঝামাঝি আলু তুলেছিলাম। এবার জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেও আলু তুলতে পারব না।
আলুচাষ যেমন একসঙ্গে শুরু হয়েছে, তেমনই এবার জমি থেকে আলু উঠবেও একইসঙ্গে। ফলে এবার আলুর দাম নিয়েও চাষিরা যথেষ্ট উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছেন। নিমার আলু চাষি বিবেকানন্দ ঘোষ বলেন, একসঙ্গে আলু উঠতে শুরু করলে হু হু করে দাম নামতে শুরু করবে। বীজ থেকে শুরু করে সার, শ্রমিকের মজুরি সব এবার বেশি। কাঁচা আলু বিক্রি করে এবার লাভের টাকা ঘরে তুলতে পারব মনে হয় না।
যদিও আগাম চাষের জন্য সস্তায় বীজ ঘরে তুলে বহু চাষি বিপাকেও পড়েছেন। চাষিদের বাড়িতেই বহু বীজ নষ্ট হয়েছে। জমি চাষের উপযোগী হতেই প্রায় একসঙ্গে সব চাষি মাঠে নেমেছেন। আর তাতেই শ্রমিকের আকাল দেখা দিতে শুরু করেছে। পাল্লা দিয়ে শ্রমিকের মজুরি ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে বীজের দাম বাড়লেও চাহিদা বেড়েছে। গোপালনগরের আলু চাষি সুব্রত ঘোষ বলেন, আলু চাষে এমনিতেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। পাকা ধান মাঠে পড়ে রয়েছে। আলু চাষ শেষ করে ধান কাটায় হাত দিতে হবে। ফলে শ্রমিকের মজুরি নিয়ে এখন কেউ দর কষাকষি করছে না। বেলগ্রামের আলু চাষি কাজল শেখ বলেন, গত বছর ডিসেম্বরে মাঝামাঝি আলু তুলেছিলাম। এবার জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেও আলু তুলতে পারব না।
আলুচাষ যেমন একসঙ্গে শুরু হয়েছে, তেমনই এবার জমি থেকে আলু উঠবেও একইসঙ্গে। ফলে এবার আলুর দাম নিয়েও চাষিরা যথেষ্ট উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছেন। নিমার আলু চাষি বিবেকানন্দ ঘোষ বলেন, একসঙ্গে আলু উঠতে শুরু করলে হু হু করে দাম নামতে শুরু করবে। বীজ থেকে শুরু করে সার, শ্রমিকের মজুরি সব এবার বেশি। কাঁচা আলু বিক্রি করে এবার লাভের টাকা ঘরে তুলতে পারব মনে হয় না।



