সংবাদদাতা, শীতলকুচি: সম্প্রতি কোচবিহার জেলাজুড়ে আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু তালিকায় নাম না থাকায় বঞ্চিত শীতলকুচি ব্লকের দু’টি গ্রামের বাসিন্দারা। গোঁসাইরহাট পঞ্চায়েতের পূর্ব গোঁসাইরহাট গ্রাম ও শীতলকুচি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ নম্বর সংসদের ২৩০ নম্বর বুথের কোনও বাসিন্দার নামই নেই তালিকায়। এতে বেজায় ক্ষুব্ধ দুই গ্রামের বাসিন্দারা।
Advertisement
তাঁরা জানান, গ্রামের অধিকাংশই ইটভাটার পরিযায়ী শ্রমিক ও কৃষিজীবী। কোনওরকমে টিনের চাল দিয়ে বসবাস করছেন তাঁরা। তবে কাদের গাফিলতিতে গোটা গ্রাম আবাস যোজনা থেকে বঞ্চিত হলেন সেনিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। পূর্ব গোঁসাইরহাট গ্রামের সুশান্ত বর্মনের কথায়, গ্রামের কারও নাম আবাসের তালিকায় নেই। এটা কিভাবে সম্ভব! নতুন করে সার্ভে করে আবাস যোজনায় নাম তোলার ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পূর্ব গোঁসাইরহাট গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য আরতি বর্মন। তিনি বলেন, বাসিন্দারা এ বিষয়ে খোঁজ নিতে আমার বাড়িতে আসছেন। কিন্তু আমার এতে কিছু করার নেই। তাই তাঁরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। বিষয়টি ব্লক প্রশাসনে জানাব। যদিও বিষয়টি নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের উপরেই দায় চাপিয়েছে বিজেপি।
বিজেপির শীতলকুচি বিধানসভার কো-কনভেনর কনকচন্দ্র বর্মন বলেন, তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই কয়েকশো আবাস ঘর প্রাপক বঞ্চিত হলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের শীতলকুচি ব্লক সভাপতি তপনকুমার গুহ বলেন, গরিব মানুষের আবাসের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর প্রাপকদের টাকা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। তাই বিজেপির মিথ্যা দাবি কোনও কাজে আসবে না। আমরাও বিষয়টি জেলা নেতৃত্বকে জানাব।
শীতলকুচির বিডিও সোফিয়া আব্বাস জানিয়েছেন, নতুন করে আবাস যোজনায় নাম যুক্ত করার নির্দেশ আসেনি। সার্ভে কর্মীদের ভুলে এরকমটা হতে পারে। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে দিয়েছি।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পূর্ব গোঁসাইরহাট গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য আরতি বর্মন। তিনি বলেন, বাসিন্দারা এ বিষয়ে খোঁজ নিতে আমার বাড়িতে আসছেন। কিন্তু আমার এতে কিছু করার নেই। তাই তাঁরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। বিষয়টি ব্লক প্রশাসনে জানাব। যদিও বিষয়টি নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের উপরেই দায় চাপিয়েছে বিজেপি।
বিজেপির শীতলকুচি বিধানসভার কো-কনভেনর কনকচন্দ্র বর্মন বলেন, তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই কয়েকশো আবাস ঘর প্রাপক বঞ্চিত হলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের শীতলকুচি ব্লক সভাপতি তপনকুমার গুহ বলেন, গরিব মানুষের আবাসের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর প্রাপকদের টাকা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। তাই বিজেপির মিথ্যা দাবি কোনও কাজে আসবে না। আমরাও বিষয়টি জেলা নেতৃত্বকে জানাব।
শীতলকুচির বিডিও সোফিয়া আব্বাস জানিয়েছেন, নতুন করে আবাস যোজনায় নাম যুক্ত করার নির্দেশ আসেনি। সার্ভে কর্মীদের ভুলে এরকমটা হতে পারে। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে দিয়েছি।



