সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: দু’মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বুনিয়াদপুর পুরসভার ৫৬ জন নির্মল বন্ধু। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় অস্থায়ীভাবে বুনিয়াদপুর পুরসভায় নিয়োগ করা হয়েছিল নির্মলবন্ধু ও নির্মল সাথীদের। এই নির্মল বন্ধুরা প্রত্যেকদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করে শহরকে পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের অভিযোগ, গত দু’মাস পুরসভার ৫৬ জন নির্মল বন্ধু ও ৭ জন নির্মল সাথীর বেতন হচ্ছে না।
Advertisement
নির্মল বন্ধুরা মাসিক প্রায় ৬ হাজার টাকা ও নির্মল সাথীরা পান প্রায় ৯ হাজার টাকা। কিন্তু পুরসভার দাবি, নির্দিষ্ট তহবিলে টাকা না থাকার কারণে কর্মীদের বেতন দেওয়া যাচ্ছে না। এখন সামান্য রোজগারে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অস্থায়ী কর্মীদের। চড়া সুদে ঋণ নিয়ে নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন তাঁরা। তারপরেও পুরসভার কাজ বন্ধ না রেখে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। একাংশ কর্মীর অভিযোগ, পুরসভায় বেতনের টাকা চাইতে গেলে কাজ থেকে বরখাস্ত করার হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অস্থায়ী পুরকর্মী বলেন, দু’মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কবে টাকা দেবে জানাচ্ছে না পুরসভা। কাজ হারানোর ভয়ে এখনও চালিয়ে যাচ্ছি। তবে বিনা বেতনে কতদিন কাজ করতে পারব জানি না।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্মল বন্ধু ও নির্মল সাথীদের বেতন কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে হয়। টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে ফান্ড আসেনি। পুরপ্রশাসক কমল সরকার বলেন, পুরসভার নির্মল বন্ধু ও নির্মল সাথীদের বেতন দিতে পারিনি দু’মাস। কিছু সমস্যার জন্য দপ্তর থেকে টাকা পাইনি। কলকাতায় পুরদপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। অন্য ফান্ড থেকে একমাসের বেতন দেওয়া হবে বলে বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্মল বন্ধু ও নির্মল সাথীদের বেতন কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে হয়। টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে ফান্ড আসেনি। পুরপ্রশাসক কমল সরকার বলেন, পুরসভার নির্মল বন্ধু ও নির্মল সাথীদের বেতন দিতে পারিনি দু’মাস। কিছু সমস্যার জন্য দপ্তর থেকে টাকা পাইনি। কলকাতায় পুরদপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। অন্য ফান্ড থেকে একমাসের বেতন দেওয়া হবে বলে বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।



