নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: এসটিএফের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে দু’লক্ষের জাল নোট উদ্ধার করল কালিয়াচক থানা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে উত্তর দিল্লির এক বাসিন্দাকে। উদ্ধার হওয়া প্রত্যেকটি জাল নোট পাঁচশো টাকার।
Advertisement
কালিয়াচক থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে জাল নোট। নোটবন্দির আগেই এই তথ্য পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। রবিবার রাতেও কি কালিয়াচক থেকে মোটা অঙ্কের জাল নোট পাচার হচ্ছিল দিল্লি অথবা দেশের অন্য প্রান্তে? তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
স্পেশ্যাল টাস্কফোর্স সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াচক থেকে জাল নোট পাচারের খবর আসে তাঁদের কাছে। কালিয়াচক থানার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার রাতে ওই এলাকার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করে এসটিএফ। গভীর রাতে কালিয়াচকের বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় এক যুবকের অস্বাভাবিক চালচলন দেখে সন্দেহ হয় এসটিএফ ও পুলিসের। যুবককে দাঁড় করিয়ে তার নাম ঠিকানা জানতে চায় পুলিস। ওই যুবক জানায় তার নাম আকাশ (২৫)। বাড়ি উত্তর-পশ্চিম দিল্লির নারেলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায়। দিল্লির যুবক গভীর রাতে কালিয়াচকে কী করছ? পুলিসের এই প্রশ্ন শুনে অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করে ওই যুবক। এরপর যুবকের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগের তল্লাশি করলে উদ্ধার হয় দু’লক্ষ টাকার জাল নোট। ধৃত যুবককে কালিয়াচক থানার তুলে দেয় টাস্ক ফোর্স। এই ঘটনায় কালিয়াচক থানায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে খবর পুলিস সূত্রে। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জাল নোটের কারবার রুখতে ওই এলাকায় এনআইএ নজরদারি শুরু করে। যার জন্য ফরাক্কায় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির অফিসও তৈরি করা হয়। মাঝে কিছুদিন এনআইএ ও পুলিসের ধরপাকড় এবং নোটবন্দির জেরে কারবার বন্ধ থাকলেও ফের নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে।
স্পেশ্যাল টাস্কফোর্স সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াচক থেকে জাল নোট পাচারের খবর আসে তাঁদের কাছে। কালিয়াচক থানার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার রাতে ওই এলাকার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করে এসটিএফ। গভীর রাতে কালিয়াচকের বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় এক যুবকের অস্বাভাবিক চালচলন দেখে সন্দেহ হয় এসটিএফ ও পুলিসের। যুবককে দাঁড় করিয়ে তার নাম ঠিকানা জানতে চায় পুলিস। ওই যুবক জানায় তার নাম আকাশ (২৫)। বাড়ি উত্তর-পশ্চিম দিল্লির নারেলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায়। দিল্লির যুবক গভীর রাতে কালিয়াচকে কী করছ? পুলিসের এই প্রশ্ন শুনে অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করে ওই যুবক। এরপর যুবকের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগের তল্লাশি করলে উদ্ধার হয় দু’লক্ষ টাকার জাল নোট। ধৃত যুবককে কালিয়াচক থানার তুলে দেয় টাস্ক ফোর্স। এই ঘটনায় কালিয়াচক থানায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে খবর পুলিস সূত্রে। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জাল নোটের কারবার রুখতে ওই এলাকায় এনআইএ নজরদারি শুরু করে। যার জন্য ফরাক্কায় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির অফিসও তৈরি করা হয়। মাঝে কিছুদিন এনআইএ ও পুলিসের ধরপাকড় এবং নোটবন্দির জেরে কারবার বন্ধ থাকলেও ফের নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে।



