সন্দীপন দত্ত, মালদহ: দুই দশক আগের বিএসএফ-বিডিআরের সংঘর্ষের স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে শুকদেবপুর। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে সেসময় পুরাতন মালদহ ও হবিবপুরে বিএসএফ-বিডিআরের গুলির লড়াই হয়েছিল। এবারেও মালদহের শুকদেবপুর সীমান্তে তৈরি হয়েছে কার্যত একই পরিস্থিতি। গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, শুক্রবার থেকে সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশি সেনার উপস্থিতিও চোখে পড়েছে। এনিয়ে সীমান্ত গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
Advertisement
রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলির মধ্যে মালদহ অন্যতম। এই জেলার সীমান্ত গ্রাম বরাবরই স্পর্শকাতর। ২০০৫ সালের আগস্টে মালদহের বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এবং তৎকালীন বিডিআরের মধ্যে কার্যত যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রশাসন সূত্রে খবর, দেশের সীমান্ত রক্ষায় বিডিআরের সঙ্গে গুলির লড়াই হয় বিএসএফের। সেবারে পুরাতন মালদহ ব্লকের আদমপুর, মুচিয়া এবং হবিবপুরের ঋষিপুর সীমান্তের সমস্যা নিয়ে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক গুলি বিনিময় হয়। বাঙ্কার তৈরি করে তাতে আশ্রয় নেন বিএসএফ জওয়ানরা। টানা ৮ থেকে ১০ দিন ধরে চলে গুলির লড়াই।
কুড়ি বছর পর আবার উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মালদহের কালিয়াচক-৩ ব্লকের বৈষ্ণবনগরের বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের শুকদেবপুরে। ২০০৫ সালে বাংলাদেশের সরকার ছিল বিএনপি-জামাত জোটের হাতে। সেই সময়ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মিত্রতার সম্পর্কে চিড় ধরেছিল। এবার বাংলাদেশে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হয়েছে। নানা কারণে ফের ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরেছে।
কুড়ি বছর পর আবার উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মালদহের কালিয়াচক-৩ ব্লকের বৈষ্ণবনগরের বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের শুকদেবপুরে। ২০০৫ সালে বাংলাদেশের সরকার ছিল বিএনপি-জামাত জোটের হাতে। সেই সময়ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মিত্রতার সম্পর্কে চিড় ধরেছিল। এবার বাংলাদেশে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হয়েছে। নানা কারণে ফের ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরেছে।



