সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: চোলাই খেয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। অবৈধ চোলাই কারবার রুখতে দু’দিন ধরে যৌথ অভিযানে নেমেছে বক্সিরহাট থানার পুলিস ও আবগারি দপ্তর। বৃহস্পতিবার বক্সিরহাট থানার বন্দেরকুটি, ভারেয়া, লাঙ্গল গ্রাম, রাভাপাড়া সহ বেশকিছু জায়গায় চোলাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়।
Advertisement
ধান খেতে, বাড়িতে লুকিয়ে রাখা চোলাই মদ তৈরির বিপুল পরিমাণ উপকরণ নষ্ট করা হয়। যদিও পুলিস ও আবগারি দপ্তরের কর্মীরা গ্রামগুলিতে যাওয়ার আগেই কারবারিরা পালিয়ে যায়। ফলে কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এদিনের অভিযানে ছিলেন বক্সিরহাট আবগারি দপ্তরের ওসি হিমাদ্রি রায়, বক্সিরহাট থানার ওসি নকুল রায়।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বারোকোদালি-১ পঞ্চায়েতের ভান্ডিজেলাসে চোলাই মদ খেয়ে চক্রধর মান্তা নামে ইটভাটার এক শ্রমিকের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন চিরঞ্জিত বর্মন নামে আরও একজন। আবগারি দপ্তরের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই দু’দিন ধরে চোলাই মদ তৈরির ডেরায় শুরু হয়েছে তল্লাশি। পুলিসের ভূমিকায় খুশি গ্রামের সাধারণ মানুষ।
ভারেয়ার বাসিন্দা পুজা বর্মন, রথীন দাস বলেন, গ্রামে চোলাইয়ের কারবার গজিয়ে উঠেছে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অবশেষে পুলিস পদক্ষেপ করায় ভালো লাগছে। বক্সিরহাট আবগারি দপ্তর সূত্রে খবর, গত দু’দিনে প্রায় পাঁচ হাজার লিটার চোলাই, চোলাই তৈরির সরঞ্জাম নষ্ট করা হয়েছে। ১৫০ লিটার চোলাই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান চলবে, জানিয়েছেন বক্সিরহাট থানার ওসি।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বারোকোদালি-১ পঞ্চায়েতের ভান্ডিজেলাসে চোলাই মদ খেয়ে চক্রধর মান্তা নামে ইটভাটার এক শ্রমিকের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন চিরঞ্জিত বর্মন নামে আরও একজন। আবগারি দপ্তরের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই দু’দিন ধরে চোলাই মদ তৈরির ডেরায় শুরু হয়েছে তল্লাশি। পুলিসের ভূমিকায় খুশি গ্রামের সাধারণ মানুষ।
ভারেয়ার বাসিন্দা পুজা বর্মন, রথীন দাস বলেন, গ্রামে চোলাইয়ের কারবার গজিয়ে উঠেছে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অবশেষে পুলিস পদক্ষেপ করায় ভালো লাগছে। বক্সিরহাট আবগারি দপ্তর সূত্রে খবর, গত দু’দিনে প্রায় পাঁচ হাজার লিটার চোলাই, চোলাই তৈরির সরঞ্জাম নষ্ট করা হয়েছে। ১৫০ লিটার চোলাই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান চলবে, জানিয়েছেন বক্সিরহাট থানার ওসি।



