Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দু’বছরেও মহম্মদবাজারে ছাত্রাবাসের কাজ শেষ হয়নি

দু’বছরেও মহম্মদবাজারে ছাত্রাবাসের কাজ শেষ হয়নি
  • ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, সিউড়ি: দু’বছরেও স্কুলের ছাত্রাবাস ও শৌচাগারের কাজ শেষ হল না। বীরভূম জেলার মহম্মদবাজারের দেউচা গৌরাঙ্গিনী উচ্চবিদ্যালয়ে আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে এই পরিস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। তিনমাসের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি। কেন সময়ে কাজ শেষ হল না, সেই প্রশ্ন তুলে ঠিকাদারকে ধমকও দেন।
Advertisement
বুধবার পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলা পরিষদ) কৌশিক সিনহা সহ জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
ওই স্কুলে একটি ছাত্রাবাস তৈরির জন্য দু’বছর আগে ২ কোটি ৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৭১০ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। সেইসঙ্গে শৌচাগার তৈরির জন্য ৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৩টাকা বরাদ্দ হয়। একটি ঠিকাদার সংস্থা সেই কাজের বরাত পেয়েছিল। অভিযোগ, ওই ঠিকাদার নানা টালবাহানা করে দু’বছর পরও কাজ শেষ করতে পারেনি। ছাত্রবাসের ভবনটি তৈরি হলেও তার ভিতরের কাজকর্ম এখনও বেশ কিছুটা বাকি রয়েছে।
এদিন সভাধিপতি নির্মীয়মাণ ছাত্রাবাসের কাজের গুণমান খতিয়ে দেখেন। ভবনের জানালা-দরজা দেখে তিনি উষ্মা প্রকাশ করেন। ঠিকাদারকে বলেন, জানালা-দরজার জন্য সঠিক কাঠ ব্যবহার করা হয়নি। কাজের গুণমান খারাপ হলে নতুন করে সবকিছু করানো হবে বলেও সাফ জানিয়ে দেন।
পরিদর্শন শেষে সভাধিপতি ও জেলা পরিষদের আধিকারিকরা ওই ঠিকাদারকে ছাত্রাবাসের কাজ শেষ করার জন্য তিন মাস ও শৌচাগারের জন্য একমাস সময় বেঁধে দেন। তার মধ্যেই কাজ সম্পূর্ণ শেষ করার নির্দেশ দেন।
কাজল শেখ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী পড়ুয়াদের জন্য এই ছাত্রাবাস তৈরি করতে টাকা বরাদ্দ করেছেন। শিল্পাঞ্চল এলাকায় এই ছাত্রাবাসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করতে ঠিকাদারকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে কাজ শেষ না করতে পারলে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ