সংবাদদাতা, রামপুরহাট: দু’বছর পেরিয়ে গেলেও রামপুরহাট মেডিক্যালের প্রসূতি বিভাগ থেকে চুরি যাওয়া সদ্যোজাতের কোনও খোঁজ দিতে পারল না পুলিস। প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরে হতাশ মুরারইয়ের দম্পত্তি। হাওড়ার শালিমার স্টেশনে শিশু চুরি চক্রের সঙ্গে যুক্ত দম্পত্তি ধরা পড়েছে। শিশুও উদ্ধার হয়েছে। তারপরই কিছুটা আশার আলো দেখছেন সন্তানকে খুঁজে চলা দম্পতি। মেডিক্যালের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেওয়া হলেও পরে তা অস্বীকার করে পুলিস। যদিও এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, সম্প্রতি এক সাব ইন্সপেক্টর এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন। সংগ্রহ করে রাখা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ আবার দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
২০২২ সালের ২২ডিসেম্বর মেডিক্যালের প্রসূতি বিভাগ থেকে সদ্যোজাতকে চুরির ঘটনাটি ঘটে। ওইদিন হাসপাতালে বিক্ষোভ ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। আন্দোলনে নামে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও। পরিবারের পক্ষ থেকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট, অন ডিউটি চিকিৎসক, নার্স ও নিরাপত্তা কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সকলে যোগসাজশ করে তাঁর শিশুকে চুরি করে অনেক টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন শিশুর বাবা পেশায় দিনমজুর রাজিবুল শেখ। মেডিক্যালের পক্ষ থেকে প্রসূতি বিভাগের নিরাপত্তা বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তুলে দেওয়া হয় পুলিসের হাতে। তাতে শিশু চোর মহিলার ছবি ধরা পড়লেও তা অস্পষ্ট ছিল। পরে সিআইডির পোর্টেট আটিস্ট এসে প্রসূতির বয়ান অনুযায়ী চোরের ছবি আঁকেন। এই পর্যন্তই। এরপর প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরছেন ওই দম্পত্তি। কিন্তু এখনও শিশুকে ফিরে পাননি তাঁরা। এখনও শিশু সন্তানের জন্য চোখের জল মুছে চলেছেন মা লখী খাতুন। রাজিবুল বলেন, পুলিসের কোনও হেলদোল নেই। দু’বছরে মাত্র দু’বার রামপুরহাট থানায় ডেকেছিল। দিন পনেরো আগে ডেকেছিল। কিন্তু সন্তানের কোনও খোঁজ দিতে পারেনি। শুধু বলছে তদন্ত চলছে।
শিশু চুরির পর থেকেই লখীর বুক হাহাকার করছে। ছেলেকে ফিরে পাবেন এই আশায় এখনও নির্ঘুম রাত কাটান। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, এদিন খবরে দেখলাম হাওড়ার শালিমার স্টেশনে শিশু চুরি চক্রের এক দম্পত্তি ধরা পড়েছে। উদ্ধার হয়েছে শিশু। আমার আশা পুলিস তৎপর হলে একদিন আমিও সন্তান ফিরে পাব। কারও কাছে কোনও কৈফিয়তই চাইব না। শুধু নিজের ছেলেকে বুকে ফিরে পেতে চাই।
গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রাহুল শেখ বলেন, ছেলের জন্য পাগলের মতো অবস্থা হয়েছে ওদের। যখনই দেখা হয় ছেলেকে পাওয়া গেল কিনা খোঁজ করেন। একদিন ফিরে পাবে সেই সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া কিছুই বলতে পারি না। রামপুরহাট থানার পুলিস জানিয়েছে, শিশুটিকে উদ্ধারে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে অন্য জায়গায় শিশু চোর চক্র ধরা পড়লে অনেক সময় বাচ্চা উদ্ধার হয়। সেইমতো হাওড়ায় মেসেজ পাঠানো হবে। এক পুলিস অফিসার বলেন, দু’বছর আগের ঘটনা। শিশুটি এখন অনেকটা বড় হয়ে গিয়েছে। মাও চিনতে পারবেন না। শিশুটি উদ্ধারও হলে ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।
শিশু চুরির পর থেকেই লখীর বুক হাহাকার করছে। ছেলেকে ফিরে পাবেন এই আশায় এখনও নির্ঘুম রাত কাটান। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, এদিন খবরে দেখলাম হাওড়ার শালিমার স্টেশনে শিশু চুরি চক্রের এক দম্পত্তি ধরা পড়েছে। উদ্ধার হয়েছে শিশু। আমার আশা পুলিস তৎপর হলে একদিন আমিও সন্তান ফিরে পাব। কারও কাছে কোনও কৈফিয়তই চাইব না। শুধু নিজের ছেলেকে বুকে ফিরে পেতে চাই।
গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রাহুল শেখ বলেন, ছেলের জন্য পাগলের মতো অবস্থা হয়েছে ওদের। যখনই দেখা হয় ছেলেকে পাওয়া গেল কিনা খোঁজ করেন। একদিন ফিরে পাবে সেই সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া কিছুই বলতে পারি না। রামপুরহাট থানার পুলিস জানিয়েছে, শিশুটিকে উদ্ধারে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে অন্য জায়গায় শিশু চোর চক্র ধরা পড়লে অনেক সময় বাচ্চা উদ্ধার হয়। সেইমতো হাওড়ায় মেসেজ পাঠানো হবে। এক পুলিস অফিসার বলেন, দু’বছর আগের ঘটনা। শিশুটি এখন অনেকটা বড় হয়ে গিয়েছে। মাও চিনতে পারবেন না। শিশুটি উদ্ধারও হলে ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।



