সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: অবশেষে ঘুম ভাঙল। দীর্ঘসময় পর মাথাভাঙা-১ ব্লক কৃষক বাজারের আবর্জনা সাফাই করল নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতি। প্রায় দু’বছর ধরে কৃষক বাজারের একদিকে আবর্জনার স্তুপ জমে ছিল। যা সরানোর জন্য বারবার আবেদন করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। কিন্ত কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ জমছিল। এদিন আবর্জনা সরানোর কাজ শুরু হওয়ায় শেষমেষ হাফ ছেড়ে বাঁচেন ব্যবসায়ীরা। কৃষক বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জমে থাকা আবর্জনার জেরে কৃষক বাজারের একদিক বন্ধ হয়েছিল। একই সঙ্গে বাজারের শৌচালয় ব্যবহারযোগ্য করা, পানীয় জলের ব্যবস্থা করা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা লাগানোর দাবি একাধিকবার জানানো হলেও তা পূরণ হয়নি। মাথাভাঙা শহর লাগোয়া পচাগড় গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার পঞ্চানন মোড়ে কৃষক বাজারটি রয়েছে। মাথাভাঙা-১ ব্লক ছাড়াও পাশ্ববর্তী শীতলকুচি ব্লক ও মাথাভাঙা-২ ব্লকের একটি অংশের কৃষকরাও সব্জি বাজারে বিক্রি করতে আসেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, কৃষক বাজারে চাষি ও পাইকাররা ভোর থেকে ভিড় করেন। কিন্তু বাজারে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয়। শৌচালয় ব্যবহারযোগ্য নয়। ভিড় বাজারে হামেশাই পকেটমারির ঘটনা ঘটে। ফলে নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কৃষক বাজার ব্যবসায়ী সমিতির তরফে একাধিকবার নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতিকে জানিয়েও সুরাহা হয়নি। এব্যাপারে কোচবিহার জেলা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির মাথাভাঙা বাজারের ইনচার্জ মলয় সরকার বলেন, আবর্জনা এদিন তুলে ফেলা হয়েছে। আবর্জনা পুরসভার ভ্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কৃষক বাজারের সমস্যা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এনিয়ে আমাদের কিছুই বলার নেই। কৃষক বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সমীর রায় বলেন, আমাদের বাজারে একাধিক সমস্যা। আবর্জনা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হল।



