Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দু’ দশক ধরে বেহাল ফিনতোর গ্রামের রাস্তা, সমস্যায় বাসিন্দারা

দু’ দশক ধরে বেহাল ফিনতোর গ্রামের রাস্তা, সমস্যায় বাসিন্দারা
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: লাভপুর ব্লকের ফিনতোর গ্রামে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। বছরের অধিকাংশ সময়ে রাস্তাটি জল ও কাদায় পূর্ণ হয়ে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করতে চরম সমস্যায় পড়েন। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট জামনা পঞ্চায়েত ও লাভপুর ব্লকে বহুবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় বেশ কিছু রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। সমস্ত আগামীতে করা হবে। লাভপুরের বিডিও শিশুতোষ প্রামানিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Advertisement
লাভপুর ব্লকের জামনা পঞ্চায়েতের ফিনতোর গ্রামের ওই রাস্তা প্রায় দুই দশক ধরে বেহাল। রথীন্দ্রনাথ পালের বাড়ি থেকে এক কিমি চলে গিয়েছে গ্রামের মাঠে। এলাকার প্রায় ৩০০ বিঘে জমির ধান এই পথ দিয়েই চাষিরা খামারে নিয়ে আসে। এছাড়াও রাস্তার দুই ধারে একাধিক বাড়ি রয়েছে। তাদের পরিবারের লোকজনের হাসপাতাল থেকে স্কুল কলেজে যাওয়ার প্রধান রাস্তা এটি। কিন্তু গ্রামবাসীদের দাবি, কোনও অজ্ঞাত কারণে এই রাস্তাটি কোনওদিনই তৈরি করা হয়নি। রাজ্য সরকারের পথসাথী প্রকল্পে কয়েক হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হলেও এই রাস্তাটি ব্রাত্যই থেকে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, ভোট আসে ভোট যায় কিন্তু রাজনৈতিক নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও রাস্তা নির্মাণ হয় না। সব থেকে বেশি সমস্যা হয় বর্ষাকালে। সেই সময়ে এই পথ দিয়ে যাতায়াত কার্যত অসম্ভব হয়ে ওঠে। তার মধ্যে বছরভর এই মেঠো পথে ট্রাক্টর যাওয়ার কারণে দুই ধারেই বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই গর্তের মধ্যে জল জমে থাকে। বর্ষাকালে এক হাঁটু কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। লাভপুর ব্লকে একশো শতাংশ কাজ হয়েছে বলে দাবি করা হলেও এই এলাকার মানুষের দুর্দশা কমেনি। তাই তাঁরা চাইছেন দ্রুত সমস্যার সমাধান।
গ্রামের বাসিন্দা সুচিত্রা দাস, তারকনাথ পাল, তৃপ্তি দাস বলেন, বছরের অর্ধেক সময়ে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতেই পারা যায় না। বারবার স্থানীয় প্রশাসনকে জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি ঢালাই করে দেওয়া হলে খুবই সুবিধা হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ