ইসলামাবাদ: রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপে ফের ভারতের কাছে হার, থুড়ি, আত্মসমর্পণ করেছে পাকিস্তান। দ্বৈরথের পরিসংখ্যন এখন ৮-১। একের পর এক চরম লজ্জার জেরে গৃহযুদ্ধ বেধেছে পাক ক্রিকেট মহলে। আর সেই উত্তাপ এতটাই তীব্র যে, শ্বশুর শাহিদ আফ্রিদি পর্যন্ত তুলোধোনা করতে ছাড়লেন না শাহিন শাহ আফ্রিদিকে। রবিবারের হারের পর জামাইয়ের বিরুদ্ধেই রীতিমতো খড়গহস্ত তিনি। প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়ক স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচকের পদে থাকলে এখনই শাহিনকে দল থেকে বসিয়ে দিতেন। দলের আরও দুই সিনিয়র সদস্য বাবর আজম এবং শাদাব খানকেও ছেড়ে কথা বলেননি বুমবুম আফ্রিদি। তাঁর কথায়, ‘অযোগ্য বুড়ো ঘোড়াদের ছাঁটাই করে অবিলম্বে জুনিয়রদের সুযোগ দেওয়া উচিত। তবেই বাঁচবে পাকিস্তানের ক্রিকেট। কারণ এত অভিজ্ঞ হওয়া সত্ত্বেও ম্যাচ জেতাতে ব্যর্থ শাহিন-বাবররা-শাদাবরা এখন দলের বোঝা।’
পাকিস্তান দলের বোলিং আক্রমণের প্রধান স্তম্ভ মনে করা হয় পেসার শাহিনকে। কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে মাত্র দু’ওভারের বেশি বল করানো সম্ভব হয়নি তাঁকে। প্রথম ওভারেই ১৭ রান বিলিয়ে ফেলায় তাঁকে কার্যত লুকিয়ে রাখতে হয় অধিনায়ক সলমন আগাকে। একই অবস্থা শাদাব খানেরও। পাশাপাশি ব্যাট হাতে হতাশ করেছেন বাবর। এক সময়ে প্রাক্তন পাক ক্রিকেটাররা বিরাট কোহলির সঙ্গে তুলনা টানতেন এই ব্যাটারের। সেই বাবরকেই ভেজা বেড়ালের মতো লাগল কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে। ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলের যখন তাঁকে দরকার তখনই ফের ব্যর্থ তথাকথিত তারকা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়ের মূর্ত প্রতীক হয়ে মাঠ ছাড়লেন বাবর-শাহিনরা।



