লন্ডন: দীর্ঘ দু’দশকের বেশি সময় ধরে লায়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। তবে গত কয়েক বছরে দুই মহাতারকাকে ছাপিয়ে ব্যালন ডি’ওর পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন রড্রি, ডেম্বেলেরা। মূলত ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলকে বিদায় জানানোর কারণেই বর্ষসেরা পুরস্কারের দৌড়ে বারবার পিছিয়ে পড়তে হয় মেসি ও রোনাল্ডোকে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে দুরন্ত পারফরম্যান্সের নিরিখে ফের একবার ব্যালন ডি’ওর জয়ের দৌড়ে প্রবলভাবে লড়াইয়ে রয়েছেন এলএমটেন। কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারেন হ্যারি কেন, এমবাপে। বর্ষসেরা পুরস্কারের দৌড়ে লড়াইয়ে রয়েছেন ইয়ামালও। সোমবার লন্ডনের পালাডিয়ামে এই চার তারকার মধ্যেই কারো একজনের হাতে উঠতে চলেছে ব্যালন ডি’ওর বর্ষসেরা পুরস্কারের মহার্ঘ ট্রফি। ক্লাব ফুটবলে পারফরম্যান্সের বিচারে অবশ্য কিছুটা হলেও পাল্লা ভারি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের।
ব্যালন ডি’ওর পুরস্কার জয়ের নিরিখে সবথেকে এগিয়ে মেসি। গত দু’দশকে আটবার তাঁর ঝুলিতে এসেছে এই পুরস্কার। আর্জেন্তাইন মহাতারকার পরেই রয়েছেন রোনাল্ডো (৫)। গত কয়েক বছরে অবশ্য ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের নিরিখে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছেন সিআরসেভেন। তবে ৩৯ বছর বয়সেও মেসি রয়েছেন স্বমহিমায়। মার্কিন মুলুকে একের পর এক দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে আর্জেন্তিনাকে ফাইনালে তোলেন তিনি। টুর্নামেন্টে ১২টি গোল করার পাশাপাশি জিতেছেন পাঁচটি ম্যাচের সেরা পুরস্কার। তবে ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর কিছুটা হলেও কমেছে তাঁর ব্যালন ডি’ওর জয়ের সম্ভবনা। বরং এবারের বর্ষসেরা পুরস্কারের দৌড়ে প্রবলভাবে এগিয়ে রয়েছেন হ্যারি কেন। গত মরশুমে ক্লাব ও দেশের জার্সি মিলিয়ে জাল কাঁপিয়েছেন ৭২বার। বিশ্বকাপে তাঁর লক্ষ্যভেদের সংখ্যা ৫। পাশাপাশি জিতেছেন বুন্দেশলিগা ও জার্মান সুপার কাপ। এছাড়া ইয়ামাল, এমবাপেও এবারের ব্যালন ডি’ওর দখলের জোরাল দাবিদার। বিশেষত বিশ্বকাপ জয়ের নিরিখে অনেকেই স্প্যানিশ তারকাকে এগিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু শনিবারই বেশ কিছু স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ব্যালন ডি’ওরের প্রথম দুইয়ে নেই কোনো বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার। আর এমনটা হলে অনুষ্ঠান বয়কট করতে পারে বার্সেলোনা।



