নয়াদিল্লি: ভারতে দুর্নীতির রমরমা বেড়েই চলেছে। ক্ষমতায় এসেই ‘না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা’র স্লোগান তোলা নরেন্দ্র মোদির জমানায় সেই দুর্নীতি হয়েছে ‘লাগাম ছাড়া’। আর এই অভিযোগ স্রেফ বিরোধীদের নয়, আন্তর্জাতিক সমীক্ষাও সিলমোহর দিচ্ছে তাতে। কোন দেশে দুর্নীতি কত, তা জানতে সমীক্ষা চালিয়েছিল জার্মানির সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে সংস্থার ২০২৪ সালের দুর্নীতি উপলব্ধি সূচক (করাপশান পারসেপশন ইনডেক্স) সংক্রান্ত রিপোর্ট। তাতে ৯৬তম স্থান পেয়েছে ভারত। ২০২৩ সালের ৯৩তম স্থানের থেকেও তিন ধাপ পিছনে।
Advertisement
দুর্নীতি নিয়ে কংগ্রেস সহ বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণ করে যাওয়াটাই রুটিন প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু রাফাল থেকে সড়ক, বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে সে ব্যাপারে নীরব থাকাটাই তাঁর পছন্দ। যদিও সেই অভিযোগ খাতায়-কলমে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। তারই প্রতিফলন মেলে আন্তর্জাতিক সমীক্ষায়। বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে প্রতি বছর রিপোর্ট প্রকাশ করে থাকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। দুর্নীতির প্রশ্নে কোন দেশ কোথায় দাঁড়িয়ে, তাই জানানো হয় এই আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টে। ১০০’র মধ্যে কোন দেশ কত নম্বর পাচ্ছে, তার ভিত্তিতে তৈরি হয় তালিকা। ‘০’ পেলে সেই দেশ ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’। আর ‘১০০’ পেলে ‘দুর্নীতিহীন’ বলে জানানো হয়। সংস্থার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, মোদির ভারত ক্রমশ কম নম্বর পেয়ে চলেছে। ২০২২ সালে ভারত পেয়েছিল ৪০ নম্বর। ২০২৩ সালে একশোয় ৩৯, আর ২০২৪ সালে সেই নম্বর আরও কম, ৩৮। মোদির ভারত কখনওই দুর্নীতির প্রশ্নে সন্তোষজনক অবস্থায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির প্রশ্নে ৪৩ নম্বরকে গড় ধরা হয়। গত এক দশকে ভারত কখনও সেই গড় অর্জন করতে পারেনি।
প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় চীন। ৭৬তম স্থানে রয়েছে জি জিনপিংয়ের দেশ। শুধু তাই নয়, গতবারের থেকে এক ধাপ এগিয়েছে তারা। আর অবনতি হয়েছে মোদির ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের দেশ আমেরিকার। চার ধাপ নেমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন ২৮। এছাড়া পাকিস্তান ১৩৫ এবং শ্রীলঙ্কা ১২১তম স্থান পেয়েছে। ইউনুসের বাংলাদেশ নেমে গিয়েছে ১৪৯তম স্থানে। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্ক। এর পরের স্থানগুলিতে ফিনল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুর। ২০২৪ সালের দুর্নীতি সংক্রান্ত রিপোর্ট বিশ্ববাসীর জন্য অশনিসঙ্কেত। দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের সর্বত্র দুর্নীতি বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি দেশ ৫০ নম্বর পায়নি। অথচ এই দেশগুলিতে বাস করে কয়েকশো কোটি মানুষ! জনকল্যাণের অর্থ সঠিক খাতে না গিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে দুর্নীতিবাজদের হাতে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বিভিন্ন দেশকে দুর্নীতি রোধকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবেই উন্নতি ঘটবে।
প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় চীন। ৭৬তম স্থানে রয়েছে জি জিনপিংয়ের দেশ। শুধু তাই নয়, গতবারের থেকে এক ধাপ এগিয়েছে তারা। আর অবনতি হয়েছে মোদির ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের দেশ আমেরিকার। চার ধাপ নেমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন ২৮। এছাড়া পাকিস্তান ১৩৫ এবং শ্রীলঙ্কা ১২১তম স্থান পেয়েছে। ইউনুসের বাংলাদেশ নেমে গিয়েছে ১৪৯তম স্থানে। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্ক। এর পরের স্থানগুলিতে ফিনল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুর। ২০২৪ সালের দুর্নীতি সংক্রান্ত রিপোর্ট বিশ্ববাসীর জন্য অশনিসঙ্কেত। দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের সর্বত্র দুর্নীতি বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি দেশ ৫০ নম্বর পায়নি। অথচ এই দেশগুলিতে বাস করে কয়েকশো কোটি মানুষ! জনকল্যাণের অর্থ সঠিক খাতে না গিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে দুর্নীতিবাজদের হাতে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বিভিন্ন দেশকে দুর্নীতি রোধকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবেই উন্নতি ঘটবে।



