সংবাদদাতা, বারুইপুর: কয়েক বছর ধরে বেহাল, বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে কর্মতীর্থ। সেই বন্ধ কর্মতীর্থে বিকেলে বসে মদ, জুয়ার আসর– এমনই অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। এই চিত্র রায়দিঘির নন্দকুমারপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। বাসিন্দারা বলেন, এই কর্মতীর্থ চালুর ব্যাপারে প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ ছিল না। বিকেলের পরে এটি মদ্যপানের আড্ডা হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের কোনও নজরদারিও নেই। যদিও বিধায়ক ডঃ অলোক জলদাতা বলেন, এই কর্মতীর্থে দোকান চালু করার জন্য বারংবার স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা কয়েকদিন আসার পরে আর আসেননি। আর মদ-জুয়ার আসর বসলে পুলিসকে বলা হবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। নন্দকুমারপুরে এই কর্মতীর্থে উপরে নীচ মিলিয়ে আনুমানিক ৫০টির বেশি দোকান আছে। তার অধিকাংশই এখন ভগ্ন অবস্থায় পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার ফলে বিবর্ণ হয়ে গিয়েছে এই কর্মতীর্থ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এলাকার দোকানদাররা এতে বসতে চান না। কারণ, রায়দিঘি কাছারি মোড় সংলগ্ন রায়দিঘি বাজার থেকে অনেক দূরে এই কর্মতীর্থ। সেই বাজার থেকে মালপত্র কিনে এনে তবেই বসতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন কর্মতীর্থ চালু করার ব্যাপারে সদর্থক ভূমিকা নেয়নি। এই কর্মতীর্থে ভিড় করে মদ-জুয়ার আড্ডা বসায়। এই ব্যাপারে স্থানীয় পঞ্চায়েতকে জানানো হলেও কাজ হয়নি। নিজস্ব চিত্র



