সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর-১ নম্বর ওয়ার্ডের কমলপুরে জল পরিষেবা বেহাল হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এলাকায় পর্যাপ্ত পানীয় জল মেলে না। এলাকার কয়েকটি কুয়োর জলের উপর ভরসা করতে হয় স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, পর্যাপ্ত পানীয় জলের দ্রুত ব্যবস্থা করতে হবে। পুরসভার পুর প্রশাসক বোর্ডের সদস্য দীপঙ্কর লাহা বলেন, ওই ওয়ার্ডে তিনটি বড় আকারের জলট্যাঙ্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তখন রাস্তার ট্যাপগুলি থেকে জল পরিষেবা পর্যাপ্ত পরিমাণে মিলবে। সাময়িক জল সঙ্কট মেটাতে সাবমার্সিবেল বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি সাবমার্সিবেল পাম্প বসানোর কাজ চলছে। এলাকাবাসীর সমস্যা মেটাতে আরও কয়েকটি পাম্প বসানো হবে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কমলপুরে প্রায় ১০টি আদিবাসীপাড়া রয়েছে। ওই পাড়াগুলিতে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১৫০০। ওই এলাকাগুলিতে পানীয় জলের পরিষেবা দিতে বাম আমলে কমলপুরে একটি জলট্যাঙ্ক তৈরি করা হয়। সেখান থেকে সমস্ত এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে জল পরিষেবা শুরু হয় ২০০৮-’০৯ সালে। রাস্তার পাশে বসানো হয় প্রায় ২০টি ট্যাপ।
স্থানীয় বাসিন্দা লখিন্দর মাণ্ডি বলেন, সেই সময় বেশ কয়েক বছর জল পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল। দু’বেলা জল দেওয়া হতো। দীর্ঘদিনের জলসঙ্কট মিটে গিয়েছিল। এরপরেই শুরু হয় অনিয়মিত জল পরিষেবা। কোনওদিন জল দেওয়া হতো আবার কোনও দিন দেওয়া হতো না। বর্তমানে জল পরিষেবা দেওয়া হলেও খুব অল্প সময়ের জন্য ট্যাপে জল আসে। তাও কল থেকে সরু হয়ে জল পড়ে। কেউ পায় আবার কেউ পায় না। এলাকায় কয়েকটি কুয়ো রয়েছে। তার উপরে ভরসা করেই চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুনীরাম মুর্মু ও সিদ্ধেশ্বর হাঁসদা বলেন, জলের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছি। ১০টি পাড়ার মধ্যে হনুমান চাতাল ও বংশীবেড়াতে দু’টি সাবমার্সিবেল কয়েক বছর আগে বসানো হয়েছিল। তাতেও সমস্যা এখনও সম্পূর্ণ মেটেনি। বাগানপাড়ায় এখন একটি বসানোর কাজ চলছে। বাকি সাতটিতে সমস্যা একই থেকে যাবে। আমাদের দাবি আরও কয়েকটি সাবমার্সিবেল দ্রুত বসানো হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা লখিন্দর মাণ্ডি বলেন, সেই সময় বেশ কয়েক বছর জল পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল। দু’বেলা জল দেওয়া হতো। দীর্ঘদিনের জলসঙ্কট মিটে গিয়েছিল। এরপরেই শুরু হয় অনিয়মিত জল পরিষেবা। কোনওদিন জল দেওয়া হতো আবার কোনও দিন দেওয়া হতো না। বর্তমানে জল পরিষেবা দেওয়া হলেও খুব অল্প সময়ের জন্য ট্যাপে জল আসে। তাও কল থেকে সরু হয়ে জল পড়ে। কেউ পায় আবার কেউ পায় না। এলাকায় কয়েকটি কুয়ো রয়েছে। তার উপরে ভরসা করেই চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুনীরাম মুর্মু ও সিদ্ধেশ্বর হাঁসদা বলেন, জলের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছি। ১০টি পাড়ার মধ্যে হনুমান চাতাল ও বংশীবেড়াতে দু’টি সাবমার্সিবেল কয়েক বছর আগে বসানো হয়েছিল। তাতেও সমস্যা এখনও সম্পূর্ণ মেটেনি। বাগানপাড়ায় এখন একটি বসানোর কাজ চলছে। বাকি সাতটিতে সমস্যা একই থেকে যাবে। আমাদের দাবি আরও কয়েকটি সাবমার্সিবেল দ্রুত বসানো হোক।



