সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের খাটগড়িয়া থেকে জামগড়া যাওয়ার রাস্তার কালভার্ট ভেঙে বিপাকে পড়েছেন পথচারীরা। ওই কালভার্টের উপর দিয়ে যাতায়াতের জন্য অস্থায়ীভাবে বালির বস্তা দিয়ে মেরামত করা হয়েছে। বিপজ্জনক কালভার্ট দিয়ে কোনওরকমে যাতায়াত করা গেলেও ভারী যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ, সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে ভারী যান চলাচল করছে। যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
Advertisement
পথচারীদের দাবি, দ্রুত কালভার্টটি সংস্কার করলে দুর্ঘটনার পাশাপাশি দুর্ভোগ থেকেও রেহাই মিলবে। প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দাবি, বিষয়টি বিডিও ও আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদকে(এডিডিএ) জানানো হয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খাটগড়িয়া এলাকায় রয়েছে প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের কাজের জন্য জামগড়া, নাচন, কালীকাপুর, বাঁশিয়া ও প্রতাপুর গ্রামের বাসিন্দাদের ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে মোরামের ওই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বেহাল অবস্থায় ছিল। খানাখন্দে ভরে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন পথচারীরা। ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে এলাকাবাসী পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বিডিও ও জেলা পরিষদে জানানো হয়। ২০২২-’২৩ অর্থবর্ষে এডিডিএ’র পক্ষ থেকে রাস্তাটি কংক্রিটের করে দেওয়া হয়। দু’ কিলোমিটার রাস্তা প্রায় ৫৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নির্মাণ করা হয়। ওই রাস্তার উপর দিয়ে ১০ টনের বেশি যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু ঝাঁ চকচকে রাস্তার মাঝে একটি কালভার্ট সংস্কার করা হয়নি। ওই কালভার্টটি চলতি বছরের বর্ষার জলের তোড়ে ভেঙে যায়। প্রায় দু’সপ্তাহ যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে বালির বস্তা দিয়ে মেরামতি করা হয়। যাতে বাইক ও সাইকেল চালিয়ে যাতায়াত করা যায়। যদিও বিপজ্জনক ওই ভাঙা কালভার্ট দিয়ে পণ্যবোঝাই ট্রাক্টরও পারাপার করছে নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে।
পথচারী সহ স্থানীয় বাসিন্দা বামাপদ মণ্ডল ও বাবলু দাস বলেন, পঞ্চায়েতে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। ওই কালভার্ট দিয়ে যাতায়াতও বিপজ্জনক। দ্রুত সংস্কার করা হলে সবাই উপকৃত হবে।প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সীতারাম রুইদাস বলেন, আমাদের পঞ্চায়েতের অর্থবল কম থাকায় সংস্কার করতে পারিনি। আমরা বিডিও ও এডিডিএ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করি দ্রুত সংস্কার হয়ে যাবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খাটগড়িয়া এলাকায় রয়েছে প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের কাজের জন্য জামগড়া, নাচন, কালীকাপুর, বাঁশিয়া ও প্রতাপুর গ্রামের বাসিন্দাদের ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে মোরামের ওই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বেহাল অবস্থায় ছিল। খানাখন্দে ভরে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন পথচারীরা। ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে এলাকাবাসী পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বিডিও ও জেলা পরিষদে জানানো হয়। ২০২২-’২৩ অর্থবর্ষে এডিডিএ’র পক্ষ থেকে রাস্তাটি কংক্রিটের করে দেওয়া হয়। দু’ কিলোমিটার রাস্তা প্রায় ৫৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নির্মাণ করা হয়। ওই রাস্তার উপর দিয়ে ১০ টনের বেশি যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু ঝাঁ চকচকে রাস্তার মাঝে একটি কালভার্ট সংস্কার করা হয়নি। ওই কালভার্টটি চলতি বছরের বর্ষার জলের তোড়ে ভেঙে যায়। প্রায় দু’সপ্তাহ যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে বালির বস্তা দিয়ে মেরামতি করা হয়। যাতে বাইক ও সাইকেল চালিয়ে যাতায়াত করা যায়। যদিও বিপজ্জনক ওই ভাঙা কালভার্ট দিয়ে পণ্যবোঝাই ট্রাক্টরও পারাপার করছে নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে।
পথচারী সহ স্থানীয় বাসিন্দা বামাপদ মণ্ডল ও বাবলু দাস বলেন, পঞ্চায়েতে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। ওই কালভার্ট দিয়ে যাতায়াতও বিপজ্জনক। দ্রুত সংস্কার করা হলে সবাই উপকৃত হবে।প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সীতারাম রুইদাস বলেন, আমাদের পঞ্চায়েতের অর্থবল কম থাকায় সংস্কার করতে পারিনি। আমরা বিডিও ও এডিডিএ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করি দ্রুত সংস্কার হয়ে যাবে।



