সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলজুড়ে ছাঁট লোহার কারবার রমরমিয়ে চলছে। বন্ধ ও চালু কারখানা থেকে অবাধে লোহা ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ লুট করছে দুষ্কৃতীরা। এরপর তা বিভিন্ন লোহা মাফিয়াদের কাঁটায় পাঠানো হচ্ছে।
Advertisement
পুলিসি নজরদারি এড়িয়ে শিল্পাঞ্চলে কয়লা, বালির পাশাপাশি লোহার অবৈধ কারবার চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতেই পুলিস নড়েচড়ে বসেছে। পাঁচদিন আগে দুর্গাপুরে ছাঁট লোহা কারবারে যুক্ত দু’জন তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিউ টাউনশিপ থানার পুলিস মঙ্গলবার মুচিপাড়া থেকে লোহার অ্যাঙ্গেলবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান আটক করে। প্রায় পাঁচ কুইন্টাল লোহার অ্যাঙ্গেল বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত সাগর আঁকুড়ে ও রাজা খানকে বুধবার দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের তিনদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। রাজা খান বলে, ওই লোহার অ্যাঙ্গেল কাঁকসা থানার গোপালপুরে একটি ছাঁট লোহার কারখানায় বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলাম। বুধবার আরও দু’জনকে লোহা চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে নিউ টাউনশিপ থানার পুলিস। তাদের নাম বিনয় হাজরা ও সঞ্জয় বাউরি। ওইদিনই কোকওভেন থানার পুলিস একজনকে গ্রেপ্তার করে। তার নাম কার্তিক তাঁতি।
এসিপি (দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করা হবে। অভিযোগ পেলেই ছাঁট লোহার কাঁটায় অভিযান চালানো হয়। সূত্রের খবর, গোপালপুরের বামুনাড়া শিল্পতালুকে এক লোহা মাফিয়া রয়েছে। তার কাঁটায় দুর্গাপুর শহরের ছাঁট লোহার কারবারিরা লোহা, তামা, পিতলের মত মূল্যবান ধাতু পৌঁছে দিচ্ছে।
শহরের মায়াবাজার, ওয়ারিয়া এলাকায় বেআইনি লোহা কারবারিদের একটা বড় গ্যাং রয়েছে। তাদের নিয়ে বেশ কয়েকজন মাফিয়া কারবার চালাচ্ছে। দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের ছাইগাদা ও কারখানা থেকে লোহা সহ মূল্যবান ধাতু চুরি করা হয়। দুর্গাপুর প্রোজেক্ট লিমিটেড(ডিপিএল) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেও চুরি হচ্ছে। বিভিন্ন বন্ধ কারখানার যন্ত্রাংশ দিনরাত চুরি হচ্ছে।
শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি বেসরকারি কারখানা থেকেই চুরি চলছে। দুর্গাপুরের গোপালমাঠ, মেনগেট, গ্যামন মোড়, লিংপার্ক, কাদা রোড, সগড়ভাঙা, ফুলঝোড়, এমএএমসি, মুচিপাড়া, প্রান্তিকা, ওয়ারিয়া ও মায়াবাজার এলাকায় প্রায় ২০টির বেশি ছাঁট লোহার কাঁটা চলছে। ডিপিএলের জনসংযোগ আধিকারিক স্বাগতা মিত্র বলেন, চুরি রুখতে নিরাপত্তারক্ষী ও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাতে চুরি একটু কমলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
এসিপি (দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করা হবে। অভিযোগ পেলেই ছাঁট লোহার কাঁটায় অভিযান চালানো হয়। সূত্রের খবর, গোপালপুরের বামুনাড়া শিল্পতালুকে এক লোহা মাফিয়া রয়েছে। তার কাঁটায় দুর্গাপুর শহরের ছাঁট লোহার কারবারিরা লোহা, তামা, পিতলের মত মূল্যবান ধাতু পৌঁছে দিচ্ছে।
শহরের মায়াবাজার, ওয়ারিয়া এলাকায় বেআইনি লোহা কারবারিদের একটা বড় গ্যাং রয়েছে। তাদের নিয়ে বেশ কয়েকজন মাফিয়া কারবার চালাচ্ছে। দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের ছাইগাদা ও কারখানা থেকে লোহা সহ মূল্যবান ধাতু চুরি করা হয়। দুর্গাপুর প্রোজেক্ট লিমিটেড(ডিপিএল) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেও চুরি হচ্ছে। বিভিন্ন বন্ধ কারখানার যন্ত্রাংশ দিনরাত চুরি হচ্ছে।
শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি বেসরকারি কারখানা থেকেই চুরি চলছে। দুর্গাপুরের গোপালমাঠ, মেনগেট, গ্যামন মোড়, লিংপার্ক, কাদা রোড, সগড়ভাঙা, ফুলঝোড়, এমএএমসি, মুচিপাড়া, প্রান্তিকা, ওয়ারিয়া ও মায়াবাজার এলাকায় প্রায় ২০টির বেশি ছাঁট লোহার কাঁটা চলছে। ডিপিএলের জনসংযোগ আধিকারিক স্বাগতা মিত্র বলেন, চুরি রুখতে নিরাপত্তারক্ষী ও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাতে চুরি একটু কমলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।



