সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানার বিধাননগর এলাকায় দিনেদুপুরে এটিএম লুট করতে এসে ধরা পড়ল দুই দুষ্কৃতী। ধৃতদের নাম রাজীব কুমার ও সেলিম খান। তাদের বাড়ি যথাক্রমে উত্তরপ্রদেশ ও দুর্গাপুরের কোকওভেন থানা এলাকায়। ধৃতদের বাইকটি পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধাননগর পুলিস ফাঁড়ির কাছে এডিডিএ মার্কেটে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের এটিএম রয়েছে। এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ওই দুই দুষ্কৃতী বাইক নিয়ে এটিএমে আসে। ভিতরে ঢুকে স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে এটিএম খোলার চেষ্টা চালায়। এটিএমে কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিল না। এক সাফাই কর্মী পরিমল রুইদাস এটিএম কাউন্টার পরিষ্কার করতে আসেন। এটিএমের ভিতরে থাকা ওই দু’জনের কর্মকাণ্ডে তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি দুষ্কৃতীদের জিজ্ঞাসা করেন, এটিএম মেশিন নিয়ে কী করছ? পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে একজন দুষ্কৃতী দৌড়ে পালিয়ে যায়। অপরজন পালানোর চেষ্টা করলে ওই সাফাইকর্মী ধরার চেষ্টা করেন। শেষমেশ এটিএমের পাশে একটি ফল বিক্রেতার সহযোগিতায় ওই দুষ্কৃতী ধরা পড়ে। ঘটনাস্থলে পুলিস আসে। একজন দুষ্কৃতী পালিয়ে পাশের মার্কেটে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিস এলাকার সিসিটিভি দেখে ওই দুষ্কৃতীকেও গ্রেপ্তার করে।
সাফাইকর্মী পরিমল রুইদাস বলেন, ওই দুই দুষ্কৃতী এটিএম মেশিনে যন্ত্রাংশ লাগিয়ে কিছু করছিল। এটিএম লুট করার চেষ্টা করছিল। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে খবর দিয়েছি। টাকা লুট করতে পারেনি। ফল বিক্রেতা বিশ্বজিৎ দাস বলেন, একজন দুষ্কৃতী পালানোর চেষ্টা করছিল। আমি দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলি। লোকজন জড়ো হয়ে যায়। পুলিস ওকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের এসিপি(দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
সাফাইকর্মী পরিমল রুইদাস বলেন, ওই দুই দুষ্কৃতী এটিএম মেশিনে যন্ত্রাংশ লাগিয়ে কিছু করছিল। এটিএম লুট করার চেষ্টা করছিল। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে খবর দিয়েছি। টাকা লুট করতে পারেনি। ফল বিক্রেতা বিশ্বজিৎ দাস বলেন, একজন দুষ্কৃতী পালানোর চেষ্টা করছিল। আমি দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলি। লোকজন জড়ো হয়ে যায়। পুলিস ওকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের এসিপি(দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।



