সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকে শিবির করে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের পাশাপাশি একাধিক পরিষেবা উপভোক্তাদের প্রদান করা হয় শুক্রবার। ওই শিবিরে বিনামূল্যে ‘বাংলার বাড়ি’র নকশার অনুমোদন প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগের ছাড়পত্র, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে অতিরিক্ত ঋণ প্রদান, বিনামূল্যে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জলের সংযোগ ও স্বচ্ছ ভারত মিশনে সহযোগিতায় শৌচালয় সহ একাধিক পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয় ইচ্ছাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। পাশাপাশি ওই ব্লকের বাকি আরও ৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপভোক্তাদের জন্যও শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ব্লক প্রশাসনের দাবি, সরকারি বাড়ির উপভোক্তারা সরকারি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরে নানান অসাধু চক্রের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হচ্ছেন। অথবা বাড়ি নির্মাণের জন্য সবরকম সুযোগসুবিধা নিতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রতারণা ও হয়রানি থেকে মুক্তি দিতেই এই শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে।
Advertisement
ওই শিবিরে এদিন উপভোক্তাদের বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ও অনুদানের শংসাপত্র দেওয়া হয়। ওই অর্থ উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অথবা পোস্ট অফিসের অ্যাকাউন্টে প্রদান করা হবে। ইচ্ছাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এদিন ১৩০ জন উপভোক্তাকে এই পরিষেবার আওতাভুক্ত করা হয়। স্থানীয় উপভোক্তা বিজয় রুইদাস ও বিশ্বনাথ বাদ্যকর বলেন, আমরা দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ। আমাদের পাকা বাড়িঘর নেই।
জরাজীর্ণ বিপজ্জনক মাটির বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তায় আজ বাড়ি পেয়ে খুব উপকৃত হলাম। বিডিও অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলার বাড়ি’ নির্মাণে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা প্রদান করে উপভোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
এই ব্লকে ৬০৯ জন গৃহহীন তথা জরাজীর্ণ মাটির বাড়িতে বসবাসকারী পরিবার ‘বাংলার বাড়ি’ পেয়েছেন। এছাড়াও একছাতার নীচে বিদ্যুৎ, পানীয় জল ও অতিরিক্ত ঋণ সহ একাধিক পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্পে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করিয়ে দিচ্ছি উপভোক্তাদের। স্থানীয় ইটভাটার মালিকদের সঙ্গেও বৈঠক করা হয়েছে। যাতে ইমারতি দ্রব্য সামগ্রীতেও সহায়তা করা যায়।
জরাজীর্ণ বিপজ্জনক মাটির বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তায় আজ বাড়ি পেয়ে খুব উপকৃত হলাম। বিডিও অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলার বাড়ি’ নির্মাণে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা প্রদান করে উপভোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
এই ব্লকে ৬০৯ জন গৃহহীন তথা জরাজীর্ণ মাটির বাড়িতে বসবাসকারী পরিবার ‘বাংলার বাড়ি’ পেয়েছেন। এছাড়াও একছাতার নীচে বিদ্যুৎ, পানীয় জল ও অতিরিক্ত ঋণ সহ একাধিক পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্পে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করিয়ে দিচ্ছি উপভোক্তাদের। স্থানীয় ইটভাটার মালিকদের সঙ্গেও বৈঠক করা হয়েছে। যাতে ইমারতি দ্রব্য সামগ্রীতেও সহায়তা করা যায়।



