নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: দুর্গাপুর মহিলা সমবায় ব্যাঙ্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। প্রথমবার এই সমবায় নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করেছে। সোমবারই মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল। ৩৩টি আসনের জন্য ৩৫টি মনোনয়ন জমা পড়েছিল। এদিন দুটি মনোনয়ন প্রত্যাহার হয়ে যাওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সমস্ত আসনে তৃণমূল মনোনীত সদস্যারা জয়লাভ করেন। নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিপিএমের সমবায় সদস্যাদের তৈরি ‘সমবায় বাঁচাও মঞ্চ’। হাইকোর্টে সেই মামলা খারিজ হয়ে যেতেই শাসকদলের জয়ের রাস্তা সুগম হয়।
Advertisement
জয়লাভ করেই সিপিএমের একশ্রেণির নেতার উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূল। শাসকদলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, সিপিএম এই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে নিজেদের লোকদের ঋণ দিয়ে সেই টাকা শোধ করায়নি। এর জেরে ব্যাঙ্ক লাটে উঠেছিল। আমাদের সরকার অনুদান দিয়ে ফের ব্যাঙ্কের উন্নয়ন করেছে। আমাদের বোর্ড গঠন হলে অনাদায়ী সমস্ত ঋণ আদায়ে তৎপর হবে।
প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী বলেন, এই সমবায় নির্বাচনে তৃণমূল গণতন্ত্র হত্যা করেছে। সমবায়ের যে সদস্যারা আমাদের হয়ে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে। আদালতে কেন আমাদের পরাজয় হল-তা পর্যালোচনা করব।
এই সমবায় ব্যাঙ্ক রাজ্যের অন্যতম প্রাচীন মহিলা নিয়ন্ত্রিত ব্যাঙ্ক। সমবায়ের নির্বাচন ঘিরেই কয়েকদিন ধরেই দুর্গাপুর সরগরম ছিল। অভিযোগ, বাম আমলে ব্যাঙ্ক সম্পূর্ণভাবে সিপিএম নেতাদের স্ত্রীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০১২ সালে সমবায়ের নির্বাচনেও সিপিএমই জয়লাভ করে। অভিযোগ, যারা সিপিএম করত, একমাত্র তারাই ব্যাঙ্কের সদস্য বা শেয়ারহোল্ডার হওয়ার সুযোগ পেত। এই পরিস্থিতিতে ৬৬৩৭ সদস্যার ভোটে জয়ী হওয়া তৃণমূলের চ্যালেঞ্জ ছিল। সিপিএম দুর্গাপুরে জয়ের রাস্তায় ফিরতে মহিলাদের উপরই ভরসা করেছিল। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিনে সিপিএম শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে। সিপিএমের অভিযোগ ছিল, তাদের কাউকে তৃণমূল মনোনয়নপত্র জমা দিতেই দেয়নি। এর প্রতিবাদে সিটিসেন্টারে রাস্তা অবরোধ, মহকুমা শাসকের অফিস ঘেরাও হয়। তারপরও ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সমবায় আধিকারিকরা স্পষ্ট জানান, নিয়ম মেনেই মনোনয়ন প্রক্রিয়া হয়েছে। এনিয়ে সিপিএম হাইকোর্টে মামলা করে। কিন্তু সেখানে পরাজয় সিপিএমের ফের সমবায় দখলের আশায় জল ঢেলে দেয়।
প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী বলেন, এই সমবায় নির্বাচনে তৃণমূল গণতন্ত্র হত্যা করেছে। সমবায়ের যে সদস্যারা আমাদের হয়ে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে। আদালতে কেন আমাদের পরাজয় হল-তা পর্যালোচনা করব।
এই সমবায় ব্যাঙ্ক রাজ্যের অন্যতম প্রাচীন মহিলা নিয়ন্ত্রিত ব্যাঙ্ক। সমবায়ের নির্বাচন ঘিরেই কয়েকদিন ধরেই দুর্গাপুর সরগরম ছিল। অভিযোগ, বাম আমলে ব্যাঙ্ক সম্পূর্ণভাবে সিপিএম নেতাদের স্ত্রীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০১২ সালে সমবায়ের নির্বাচনেও সিপিএমই জয়লাভ করে। অভিযোগ, যারা সিপিএম করত, একমাত্র তারাই ব্যাঙ্কের সদস্য বা শেয়ারহোল্ডার হওয়ার সুযোগ পেত। এই পরিস্থিতিতে ৬৬৩৭ সদস্যার ভোটে জয়ী হওয়া তৃণমূলের চ্যালেঞ্জ ছিল। সিপিএম দুর্গাপুরে জয়ের রাস্তায় ফিরতে মহিলাদের উপরই ভরসা করেছিল। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিনে সিপিএম শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে। সিপিএমের অভিযোগ ছিল, তাদের কাউকে তৃণমূল মনোনয়নপত্র জমা দিতেই দেয়নি। এর প্রতিবাদে সিটিসেন্টারে রাস্তা অবরোধ, মহকুমা শাসকের অফিস ঘেরাও হয়। তারপরও ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সমবায় আধিকারিকরা স্পষ্ট জানান, নিয়ম মেনেই মনোনয়ন প্রক্রিয়া হয়েছে। এনিয়ে সিপিএম হাইকোর্টে মামলা করে। কিন্তু সেখানে পরাজয় সিপিএমের ফের সমবায় দখলের আশায় জল ঢেলে দেয়।



